পীরগঞ্জে পাট চাষীদের মাঝে সনাতন পদ্ধতি ছেড়ে রিবন রেটিং পদ্ধতির ব্যবহার বাড়ছে। এই পদ্ধতিতে পাট পচাতে পুকুর-খাল নদী নালার প্রয়োজন হয় না। বাড়িতেই স্বল্প জায়গায় অল্প পানিতে পাট পচানো যায়। এতে সনাতন পদ্ধতির চেয়ে পাটের আঁশ ও রং ভালো হয় । বাজারে অপেক্ষাকৃত দামও বেশি পাওয়া যায়। ফলে পাট চাষীরা রিবন রেটিং পদ্ধতিতে পাট পচাতে আগ্রহী হয়ে উঠছে।
এদিকে উপজেলা পাট উন্নয়ন অফিস থেকে রিবন রেটিং পদ্ধতির মাধ্যমে পাট পচানোর ক্ষেত্রে উদ্বুদ্ধ করতে বিশেষ প্রশিক্ষণ ও এলাকাভিত্তিক চাষীদের নিয়ে মাঠ দিবস অনুষ্ঠান করা হচ্ছে। উপজেলা পাট উন্নয়ন অফিস জানায়, চলতি বছর উপজেলায় ১ হাজার ২শ’ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। যা থেকে ১ লাখ ২ হাজার মণ পাট উত্পাদন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উপজেলার মিঠিপুর ইউনিয়নের একবারপুর গ্রামের কয়েকজন পাট চাষী জানান, তারা উপজেলা পাট উন্নয়ন অফিস থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। পানির সংকট হওয়ায় প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বাড়িতে মহিলা শ্রমিক দিয়ে রিবন রেটিং পদ্ধতিতে পাট পচানোর কাজ করছেন। কারণ সনাতন পদ্ধতির চেয়ে রিবন রেটিং পদ্ধতিতে পাট পচালে পাটের আঁশ ও রং উভয় ভালো হওয়ায় দামও বেশি পাওয়া যায়। ফলে পীরগঞ্জের পাট চাষীরা সনাতন পদ্ধতি ছেড়ে রিবন রেটিং পদ্ধতিতে পাট পচাতে আগ্রহী হয়ে পড়ে।
