বিভিন্ন অঙ্গনে বিশেষ অবদান রাখার জন্য দেশের ১০ জন নারীকে অনন্যা শীর্ষ দশ সম্মানে ভূষিত করা হচ্ছে। আগামীকাল বুধবার সন্ধ্যা ছয়টায় হোটেল রূপসী বাংলার মার্বেল রুমে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুরস্কারপ্রাপ্ত দশ জনের হাতে তুলে দেয়া হবে অনন্যা শীর্ষ দশ ২০১৩ সম্মাননা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন অনন্যা সম্পাদক তাসমিমা হোসেন।
এবারের পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন প্রথম নারী স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক লেখক রমা চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম নারী ডেপুটি গভর্নর নাজনীন সুলতানা, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্যারাট্রুপার ক্যাপ্টেন জান্নাতুল ফেরদৌস, নারী উদ্যোক্তা সাদেকা হাসান সেঁজুতি, কৃষি উদ্যোক্তা মাচিং নু মারমা, ফটোগ্রাফিতে তসলিমা আখতার, সাংবাদিকতায় রোজিনা ইসলাম, শিক্ষায় মায়মুনা এন. আহমেদ এবং শিল্পকলায় তৈয়বা বেগম লিপি।
প্রথম নারী স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন লায়লা কবির। মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক লেখক রমা চৌধুরীর হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন নৃত্যশিল্পী ও নৃত্য গবেষক লুবনা মরিয়ম। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম নারী ডেপুটি গভর্নর নাজনীন সুলতানা ও বাংলাদেশের প্রথম নারী প্যারাট্রুপার ক্যাপ্টেন জান্নাতুল ফেরদৌসের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডা. দীপু মনি। উদ্যোক্তা সাদেকা হাসান সেঁজুতি ও কৃষি উদ্যোক্তা মাচিং নু মারমার হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন নারী উদ্যোক্তা লুনা দোহা। ফটোগ্রাফিতে অবদান রাখার জন্য তসলিমা আখতারকে পুরস্কার দেবেন প্রবীণ আলোকচিত্রী সাঈদা খানম। সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য রোজিনা ইসলাম ও শিক্ষায় মায়মুনা এন. আহমেদকে পুরস্কার তুলে দেবেন কথা সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। শিল্পকলায় অবদানের জন্য তৈয়বা বেগম লিপির হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন ফ্যাশন ডিজাইনার বিবি রাসেল।
১৯৯৩ সাল থেকে প্রতিবছর দেশের ১০ জন নারীকে নিজ নিজ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার জন্য এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়। গত বিশ বছরে ২০০ জন নারীকে এই সম্মানে ভূষিত করা হয়। কৃষি-শিল্প-বাণিজ্য-অর্থনীতি-অভিনয়-সঙ্গীত-খেলাধুলা-শিক্ষা-চিকিত্সা-মুক্তিযুদ্ধ-সমাজকল্যাণ ও উন্নয়নমুখী কাজ-আইন ও মানবাধিকার-উদ্যোক্তা-রাজনীতি-সাংবাদিকতা প্রভৃতি অঙ্গনে বিশেষ অবদান রাখার জন্য এই সম্মাননা প্রদান করে থাকে অনন্যা।
