নাগরিক টিভিতে ঈদের দিন থেকে ঈদের সপ্তম দিন পর্যন্ত রাত ৯টা ২০ মিনিটে প্রচার হবে ধারাবাহিক নাটক ‘নকল হইতে সাবধান’। এটি রচনা করেছেন শামীম সিকদার এবং পরিচালনা করেছেন মারুফ হাসান মিঠু।
নাটকটির গল্পে দেখা যাবে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে হঠাত্ শহর থেকে গ্রামে ফিরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে বেশ প্রস্তুতি নিতে শুরু করে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা আক্কাচ আলী এমএসসি। অনেক বছর আগে গ্রাম ছেড়ে স্বপরিবারে রাজধানীতে পাড়ি জমিয়েছিল আক্কাচ আলীর বাবা আজগর আলী। এত বছর পর এলাকায় এসে দু-হাতে টাকা খরচ করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে আক্কাচ আলী। নিজেকে নেতা ভাবতেই তাঁর বেশ লাগে। সাধারণ কথাও সে ভাষণের ঢঙে প্রকাশ করে। কে অসুস্থ, কার কোথায় কী অনুষ্ঠান, কে কোন বিপদে পড়েছে বর্তমান চেয়ারম্যানের সাথে টেক্কা দিয়ে তাঁদের আর্থিক সহায়তা দেয় আক্কাচ আলী। আর এগুলো দেখভাল করে তাঁর পিএস পুটু ওরফে ইমার্জেন্সি পুটু। মারাত্মক ব্যস্ত সে। হবু চেয়ারম্যান আক্কাচ আলীর যাবতীয় কাজ তাঁকেই করতে হয়। তবে কোনো কাজই সে ফ্রি করে না। কারণ ফ্রি কাজের মূল্য থাকে না। পুটুকে সরিয়ে তাঁর জায়গা দখল করার জন্য এপিএস লেবু মিয়া পায়তারা করতে থাকে। আক্কাচ আলীর কর্মকাণ্ড ও জনসমর্থন দেখে চিন্তায় পড়ে যায় বর্তমান চেয়ারম্যান মোকসেদ মণ্ডল। বিগত একযুগ যার নিয়ন্ত্রণে চলেছে এলাকা। লোকজন পিঁপড়ার সারির মতো পিছনে পিছনে ঘুরতো একটা রেশন কার্ডের জন্য, অথচ এখন নিজের সামান্য কাজ করার মতো কোনো লোক সে পায় না। বিষয়টি দারুণভাবে কষ্ট দেয় চেয়ারম্যানকে। ছোট বোন মনিরার পছন্দের পাত্র হওয়া সত্ত্বেও আক্কাচ আলীর অতীত ঘেঁটে তাঁকে ছোট করে, কুত্সা রটায় তাঁর বিরুদ্ধে, বিভিন্ন দোষ খুঁজতে থাকে তাঁর। কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করে প্রতিনিয়ত। এমনকি আক্কাচ আলীকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য খুনি জাতা জগলুকে ভাড়া করে আনে চেয়ারম্যান। কিন্তু জাতা জগলুকে নিয়ে দ্বিমত পোষণ করে চেয়ারম্যানের ডানহাত বজলু। ভিলেজ পলিটিক্সের অংশ হিসেবে দল ঠিক করার জন্য দাদার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গণভোজের আয়োজন করে চেয়ারম্যান।
