চারদিন পর সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কে শনিবার (১৯ মার্চ) ভোর থেকে স্বাভাবিক ভাবে যানবাহন চলাচল করছে। এতে চালক ও যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
জানা যায়, মহাসড়কে চার লেন নির্মাণ ও নলকা সেতুর সংস্কার কাজ চলমান থাকায় মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) ভোর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) ভোর থেকে দিনভর যানজট ও ধীরগতি থাকলেও সন্ধ্যার পর থেকে এ মহাসড়কের যানজট কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করলেও বুধবার (১৬ মার্চ) ভোর থেকে আবারও বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিমে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়। থেমে থেমে এ যানজট অব্যাহত থাকে শুক্রবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যা পর্যন্ত। শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে কর সয়দাবাদ থেকে হাটিকুমরুল গোলচত্বর পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার সড়কে ধীরগতিতে যানবাহন চলতে থাকে। শনিবার ভোর থেকে এ মহাসড়কে পুরোপুরি স্বাভাবিক হয় যানবাহন চলাচল।
নাটোর থেকে ঢাকাগামী ট্রাক চালক সবুজ আলী জানান, নাটোর থেকে কাঁচা পণ্য নিয়ে হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় পৌঁছানোর পরপরই কয়েকদিন খুব যানজট ছিল। দেখা গেছে ১০ মিনিটের সড়ক অতিক্রম করতে কয়েক ঘণ্টা লেগে গেছে। কিন্তু আজ শনিবার সকাল থেকে সড়ক অনেকটাই ফাকা। স্বাভাবিক গতিতেই গাড়ী চালাতে পারছি। সময়মত ঢাকা পৌঁছাতে পারবো বলে আশাবাদী।
কামারখন্দ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শাহীনুর কবীর জানান, মহাসড়কে চার লেন নির্মাণ ও নলকা সেতুর সংস্কার কাজ চলমান থাকায় গত কয়েকদিন এক লেন দিয়েই ঢাকাগামী ও উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন চলাচল করানো হয়েছে। এতে একদিকে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ অপরদিকে চালকদের অসচেতনতার কারণে সয়দাবাদ থেকে হাটিকুমরুল গোলচত্বর পর্যন্ত উভয় লেনে মাঝেমধ্যে এক লেনে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। কখনও কখনও যানবাহন ধীরগতিতে চলেছে।
তিনি আরও জানান, টানা কয়েকদিন হাইওয়ে ও জেলা পুলিশ এ মহাসড়কের যানজট নিয়ন্ত্রণ করেছে। শুক্রবার রাতভর জেলা পুলিশের ১২ টিমের অক্লান্ত পরিশ্রমে যানজট নিরসন করা হয়েছে। ভোর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কে যানবাহন স্বাভাবিক গতিতে চলছে।
