সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানে নারী হয়রানির ঘটনা বেড়েই চলেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটিতে পারিবারিক সহিংসতা, ধর্ষণ, অ্যাসিড হামলা বেড়েছে। অন্যদিকে জোর করে ধর্মান্তরকরণ, বিয়ে, চাকরির সুযোগে বৈষম্য একটি প্রথাসিদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মানবাধিকার কর্মীরা বলেছেন, অনার কিলিংসহ উগ্র ধর্মীয় ও ঐতিহ্যগত প্রথা থেকে উদ্ভূত ঝুঁকি পাকিস্তানি নারীদের জীবনকে বেদনাদায়ক করে তুলেছে।
দেশটির বিগত সরকারের কেউ পাকিস্তানি নারীদের জন্য নিরাপদ ও খোলামেলা পরিবেশ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে কারণ কেউই উগ্রপন্থীদের বিরক্ত করতে চায়নি। বর্তমান ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন সরকারও এর ব্যতিক্রম নয়। বরং তার শাসনামলে সমস্যা আরও খারাপ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
মজার বিষয় হলো, ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সরকার তার তিক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী জমিয়ত উলেমা-ই-ইসলাম-ফজল (জেইউআই-এফ) এর সঙ্গে হাত মিলিয়েছে।
থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশনের একটি বৈশ্বিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান নারীদের জন্য ষষ্ঠ বিপজ্জনক দেশ। পাকিস্তানের কিছু উপজাতীয় এলাকায়, পুরুষদের অপরাধের শাস্তি হিসেবে নারীদের গণধর্ষণ করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নারীরা সহিংসতা ও নির্যাতনের শিকার এবং দেশটিতে এখনও পারিবারিক সহিংসতার বিরুদ্ধে আইনের অভাব রয়ে
