ফরিদপুরে আলোচিত দুই ভাই দুই হাজার কোটি টাকা পাচারের মামলার আসামি শহর আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ফরিদপুর প্রেসক্লাবের বহিষ্কৃত সভাপতি ইমতিয়াজ হাসান রুবেলের ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ওই ঘনিষ্ট সহযোগীর নাম আরাফাত হোসেন ওরফে জুয়েল (৪২)। তাকে ৩০ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেফতার করা হয়।
শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ফরিদপুর শহরতলীর ব্রাহ্মনকান্দা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)-এর একটি দল।
আরাফাত হোসেন ওরফে জুয়েলে ফরিদপুর শহরের ব্রাহ্মনকান্দা এলাকার বাসিন্দা মৃত মনসুর মোল্লার ছেলে। সে ফরিদপুরের আলোচিত দুই ভাই বরকত-রুবেলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। বরকত-রুবলেকে মামা বলে ডাকতেন। এ কারণে তিনি ফরিদপুরে ‘ভাগিনা জুয়েল’ নামে পরিচিত ছিলেন।
ফরিদপুর গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল ইসলাম বলেন, বরকত-রুবলের সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্য হিসেবে কাজ করতেন আরাফাত। তার বিরুদ্ধে ফরিদপুর কোতয়ালী থানা ও সাভারসহ বিভিন্ন থানায় মোট ১০টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে চারটি মাদক, চারটি অস্ত্র, একটি দ্রুত বিচার আইন ও অপরটি চুরির মামলা। প্রতিটি মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি আরাফাত।
ডিবি পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ব্রাহ্মনকান্দাস্থ নিজ বাড়ির সামনে থেকে লুঙ্গি পরিহিত অবস্থায় গ্রেফতার করা হয় আরাফাতকে। তার কোমরের বাম দিকে লুঙ্গির কোচরে পলিথিনের মধ্যে থেকে ৩০ গ্রাম হিরোইন উদ্ধার করা হয়।
এ ব্যাপারে ডিবি পুলিশের এসআই মো. শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে শনিবার বিকেলে আরাফাতকে আসামি করে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই সোহেল রানা বলেন, রবিবার আরাফাতের পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে জেলার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।
