‘ব্লু ইকোনমিতে বিশাল ভূমিকা রাখতে পারে সামুদ্রিক শৈবাল’

আপডেট : ২০ মার্চ ২০২২, ১০:৫৫

দেশের সমুদ্রে ২০০ প্রজাতির সিউইড (সামুদ্রিক শৈবাল) রয়েছে। যেখানে ১০টি প্রজাতি বাণিজ্যিক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এসব সিউইড নানা ধরনের পুষ্টি সমৃদ্ধ, ঔষধি গুণে ভরা এবং পশুপাখির খাবার তৈরির উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এতে রয়েছে ভিটামিন, খনিজ ও রোগ প্রতিরোধী এন্টিঅক্সিডেন্টস। আমরা যদি এ সম্পদকে মেধার মাধ্যমে কাজে লাগাতে পারি তবে তা ব্লু ইকোনমিতে বিশাল ভূমিকা রাখবে। এটি সমুদ্রে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও অগ্রণী ভূমিকা রাখে।

গতকাল শনিবার কক্সবাজারের হোটেল সি গাল হলরুমে ‘সিউইড অ্যান্ড গ্রিন মাসলস্ ফার্মিং অ্যান্ড ব্লু-ফুড ফেস্টিভ্যাল’ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশের টিম লিডার প্রফেসর আবদুল ওয়াহাবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. আবদুস সত্তার মন্ডল।

কক্সবাজারে সিউইড ফেস্টিভ্যাল

অনুষ্ঠানে বক্তারা আরো বলেন, সিউইড সমুদ্রের পানিতে থাকা কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণ করে বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণ করে। অতিরিক্ত পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার হওয়ায় পুষ্টিহীনতা রোধ করে। কক্সবাজার উপকূলে তিন প্রকার খাদ্য উপযোগী সিউইড পাওয়া গেছে। ভবিষ্যতে এসব জলজ খাদ্য উৎপাদনের মাধ্যমে দেশের সুনীল অর্থনীতিকে সহায়তা করা সম্ভব হবে। স্বল্প খরচে সহজেই চাষ করা যায় বলে অনেক নারী ও যুবক ইতিমধ্যে সিউইড চাষে সম্পৃক্ত হয়েছেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব মেরিটাইম রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের মহাপরিচালক ক্যাপ্টেন এম মিনারুল হক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের পরিচালক ড. এমডি শরীফ উদ্দিন, ইউএসএআইডির প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিষ্ট আশরাফুল হক, বিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান প্রমুখ।

ইত্তেফাক/এমআর