সিরাজগঞ্জে গমের ক্ষেতে কৃষকের হাসি

আপডেট : ২৮ মার্চ ২০২২, ১৬:৫৩

সিরাজগঞ্জে এবার মৌসুমি গম চাষাবাদে বাম্পার ফলনের আশা করা হচ্ছে। মাঠে মাঠে গমের সমারোহে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। ২/১ সপ্তাহের মধ্যে গম কাটা ও মাড়াই পুরোদমে শুরু হবে।  

স্থানীয় কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জেলায় এবার ৫ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে গমের চাষ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৭৫ মেট্রিক ট্রন। তবে চরাঞ্চলেই বেশি গমের চাষ হয়েছে। বিভিন্ন জাতের মধ্যে রয়েছে, বারি ৩০, ৩১, ৩৩, ২৫ ও ২৬ জাতের গম।

কৃষক সূত্রে জানা গেছে, ইরি বোরো ধানের তুলনায় গম চাষে  খরচ কম লাভ বেশি। এজন্য প্রতি বছরের মতো এবারও গম চাষে ঝুঁকে পড়ে কৃষকেরা। সংশ্লিষ্ট কৃষি বিভাগ থেকে যথাসময়ে বারি ৩৩ জাতের ৪০ কেজি বীজ, ইউরিয়া ২ বস্তা, পটাশ ১ বস্তা, টিএসপি ১ বস্তা ও ২ বস্তা জৈব সার দেয়া হয়েছে। কৃষি বিভাগের পরামর্শে সঠিক মাত্রায় সার প্রয়োগসহ পরিচর্যার কারণে চাষাবাদে ফলন অনেক ভালো হয়েছে এবং ইতিমধ্যেই অনেক স্থানে গম কাটা ও মাড়াই শুরু হয়েছে। বাজারে দাম ভালো থাকলে কৃষকেরা লাভবান হবে। প্রতি বিঘা জমিতে ১৩ থেকে ১৪ মণের বেশি গমের ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে আশা করছেন কৃষকেরা । 

এ বিষয়ে জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আ জা মু আহসান শহীদ সরকার বলেন, সরকারের সহযোগিতায় কৃষকেরা লাভজনক চাষাবাদে ঝুঁকে পড়েছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের চাষে যথাসময়ে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই জেলার কিছু এলাকায় গম কাটা ও মাড়াই শুরু হয়েছে । ২/১ সপ্তাহের মধ্যে পুরোদমে গম কাটা ও মাড়াই শুরু হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। 

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মাহাবুবুর রহমান খান বলেন, এবার সমগ্র জেলা ব্যাপক হারে গম উৎপাদন হয়েছে। দাম বেশি হওয়ায় কৃষকরা গম উৎপাদনে ঝুঁকেছিল। ফলনও হয়েছে আশানুরূপ। এ কারণে খাদ্য বিভাগ জেলা সদর সহ সকল উপজেলায় এক যোগে গম কেনার সকল প্রস্তুতি গ্রহন করেছে।

ইত্তেফাক/এআই