আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ডিসেন্ট ওয়ার্ক কান্ট্রি প্রোগ্রাম (ডিডব্লিউসিপি) এর সঙ্গে বাংলাদেশের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। বুধবার (৩১ মার্চ) ঢাকার র্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে ডিডব্লিউসিপি-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাক্ষরিত হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশে আইএলও-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর টুওমো পুটিয়াইনেন ও প্রধান অতিথি শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের তত্ত্বাবধানে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. এহসান-ই-এলাহী, ন্যাশনাল কোঅর্ডিনেশন কমিটি অন ওয়ার্কার্স এডুকেশনের (এনসিসিডব্লিউই) চেয়ারম্যান মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ ও বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের (বিইএফ) সভাপতি আরদাশির কবির।
ডিডব্লিউসিপি হল কোন দেশে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) স্বতন্ত্র বৈশ্বিক আদর্শিক অবস্থানের ভিত্তিতে সে দেশের শ্রম বিষয়ক কার্যক্রমে সমর্থন প্রদানের কৌশলগত কাঠামো। যার ওপর ভিত্তি করে সেই দেশে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার আন্তর্জাতিক শ্রমের মান, সামাজিক সংলাপ ও ত্রিপক্ষবাদ প্রচারে কাজ করতে পারে।
করোনা মহামারি পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে শোভন ও উৎপাদনশীল কাজের ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের সংখ্যা বাড়ানোই বাংলাদেশ সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্য। এ লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ সরকার, নিয়োগকর্তা ও শ্রমিক সংগঠনগুলো আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) সঙ্গে আগামী ২০২৬ সাল পর্যন্ত একযোগে কাজ করবে।
ডিসেন্ট ওয়ার্ক কান্ট্রি প্রোগ্রাম অনুযায়ী, বাংলাদেশ সরকারের লক্ষ্য অর্জন করতে, কৌশলগত নীতির ও প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামোর উন্নতি প্রয়োজন। এছাড়া ডিডব্লিউসিপি-তে উল্লিখিত অন্তর্ভুক্তিমূলক, ন্যায়সঙ্গত এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সবার জন্য শোভন কাজ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে তার লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথির মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন-শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. কামাল হোসেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব নাহিদ মঞ্জরা আফরোজ, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এফবিসিসিআই)-এর সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন এবং জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মহাপরিচালক মো. শহিদুল আলম।
