বৈরী আবহাওয়ার কারণে গঙ্গাচড়ায় ঝরে পড়ছে আমের মুকুল। এতে ফলন কমে যাবে। এ অবস্থায় বাগান মালিক ও চাষিরা হতাশ।
চাষিরা জানান, দুই মাস আগেও মুকুলে ভরে গিয়েছিল আমগাছ। আশা করেছিলাম এবার আমের বাম্পার ফলন হবে। চাষিদের মুখে হাসি ফুটেছিল। কিন্তু দুই দফায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া আর কুয়াশা অল্প কয়েক দিনের মধ্যে চাষিদের হতাশ করে দেয়। আমের গুটি আসার আগেই মুকুলগুলো কালো হয়ে ঝরে পড়তে থাকে।
সরজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, যেসব গাছে মুকুল এসেছিল সেসব আমগাছে মুকুল আর নেই। ঝরে পড়ে গেছে। শুধু আছে বোঁটাগুলো।
উপজেলার কিসামত হাবু গ্রামের চাষি ফেরদৌস জানান, নতুন আম গাছে প্রচুর মুকুল ধরেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর টেকেনি সে সব মুকুল।
গঙ্গাচড়ার বুড়িরহাট হর্টিকালচার সেন্টারের উপ-পরিচালক আফতাব হোসেন বলেন, মুকুল ঝরে যাওয়ার অনেক কারণ থাকে। হফার পোকার আক্রমণে আমের মুকুলের বেশ ক্ষতি হয়েছে। কালো হয়ে ঝরে গেছে।
তিনি আরো বলেন, এখনো যা আছে তাতে গুটি এসেছে। এ অবস্থায় রিপকর্ড জাতীয় কীটনাশক ও কার্বন্ডাজিম জাতীয় ছত্রাকনাশক স্প্রে করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
