কুসিক নির্বাচনে আইনি বাধা নেই, শিগগির তফসিল

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০২২, ০২:১৫

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের (কুসিক) নির্বাচনে সীমানা, ওয়ার্ড বিভক্তিকরণ সংক্রান্ত আইনি জটিলতা কেটে গেছে। উচ্চ আদালতে সীমানা বর্ধিতকরণ সংক্রান্তে একটি রিট পিটিশন থাকায় কুসিক নির্বাচন পেছাতে পারে এমন গুঞ্জন থাকলেও সোমবার (৪ এপ্রিল) স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে জারীকৃত এক চিঠিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানে কোনো আইনগত জটিলতা বিদ্যমান নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ, সিটি কর্পোরেশন-১ শাখার উপসচিব মোহাম্মদ শামছুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিটি সন্ধ্যায় কুসিকের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে এসে পৌঁছেছে। রাত ৮টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুসিক মেয়র মো. মনিরুল হক সাক্কু।

নির্বাচনী বিধি অনুসারে আগামী ১৬ মে-এর মধ্যে কুসিকের নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। শিগগিরই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে বলে কুসিক সূত্রে জানা গেছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, কুসিকের এলাকা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ২০১৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর তারিখের এক স্মারকে একটি প্রস্তাব স্থানীয় সরকার বিভাগ, সিটি কর্পোরেশন-১ শাখায় প্রেরণ করা হয়। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে প্রস্তাবটি নথিজাত করা হয়। প্রস্তাবিত সীমানা সম্প্রসারণ বিষয়ে সিটির ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কাজী মাহবুবুর রহমান গং হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন (নং- ১২৫৭৭/২০১৬) দায়ের করেন। পরে হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী কুসিকের সীমানা সম্প্রসারণের প্রস্তাব যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে নিষ্পত্তি করা হয়। এতে কুসিকের সীমানা, ওয়ার্ড বিভক্তিকরণ সংক্রান্ত কোন আইনগত জটিলতা বিদ্যমান নেই মর্মে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে ২০১৭ সালের ৩০ মার্চ সর্বশেষ কুসিক নির্বাচন হয়েছিল। নির্বাচিত করপোরেশনের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ওই বছরের ১৭ মে। এক্ষেত্রে ভোটগ্রহণ করতে হবে আগামী ১৬ মের মধ্যে।

কুসিক মেয়র মো. মনিরুল হক সাক্কু বলেন, সন্ধ্যায় মন্ত্রণালয়ের চিঠি পেয়েছি। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও ভোটগ্রহণে কোনো আইনি জটিলতা নেই। চলতি সপ্তাহে কুসিক নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে দুটি পৌরসভাকে (কুমিল্লা ও সদর দক্ষিণ) একীভূত করে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন গঠন করা হয়। ২০১২ সালের ৫ জানুয়ারি এ সিটির প্রথম নির্বাচন এবং ২০১৭ সালের ৩০ মার্চ দ্বিতীয় নির্বাচন হয়। দুটি নির্বাচনেই মেয়র পদে নির্বাচিত হন মো. মনিরুল হক সাক্কু।   

 

 

ইত্তেফাক/এমআর

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন