বরেন বিপ্লব ও উইঘুর গণহত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) প্রতিবাদের অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থানে সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, সুশীল সমাজ ও আলেম-উলামারা মিছিলসহ মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নেন।
সম্মিলিত ইসলামী ঐক্যজোট জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সেমিনার ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। এতে ইসলামী ঐক্যজোটসহ অন্যান্য সমমনা ইসলামী দলগুলোর নেতারা অংশ নেন। তারা চীনা কর্তৃপক্ষের দ্বারা উইঘুর মুসলমানদের গণহত্যা এবং নৃশংস নিপীড়নের জন্য চীনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান।
মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চ জাতীয় জাদুঘরের সামনে উইঘুরদের ওপর চীনা অত্যাচারের বিরুদ্ধে এবং বরেণ বিপ্লবের স্মরণে আলোচনা ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।
এছাড়া সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সংক্ষিপ্ত চিত্র প্রদর্শনী ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান তৌফিক আহমেদ তফশির।
স্বাধীনতা সংগ্রাম পরিষদ বিটিভি গোলচত্ত্বরের সামনে পূর্ব তুর্কিস্তানের বারেন টাউনে উইঘুর মুসলমানদের ওপর চীনের উচ্ছৃঙ্খলতার প্রতিবাদে একটি মানববন্ধনের আয়োজন করে।
বাংলাদেশ সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট ফোরাম (বিএসএএফ) বরেন বিপ্লব এবং উইঘুর গণহত্যা জন্য চীনা কর্তৃপক্ষের নৃশংসতা বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বাইক র্যালির আয়োজন করে। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা উইঘুর গণহত্যার বিচার দাবি করেন।
এদিকে এ উপলক্ষে যশোরে এক প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনের আয়োজন করে জাতীয় ওলামা কল্যাণ পরিষদ (চৌগাছা ইউনিট)। পৃথকভাবে সুন্না ইসলাম কওমি মাদরাসা উইঘুর ইস্যুকে তুলে ধরে আরেকটি প্রতিবাদ মিছিল করে।
অন্য একটি কর্মসূচিতে, জাগ্রত মুসলিম জনতা, নারায়ণগঞ্জ শাখা চীনকে বয়কট করার এবং উইঘুর মুসলমানদের নিপীড়ন বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে একটি প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে।
উল্লেখ্য, পূর্ব তুর্কিস্তানের ইতিহাসে ৫ এপ্রিল একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এই দিনে বরেন বিপ্লবের সূত্রপাত হয়েছিল। ১৯৯০ সালের এই দিনে পূর্ব তুর্কিস্তানের আক্টো কাউন্টির বারেন টাউনশিপ এবং আশপাশের এলাকার লোকেরা অপারেশন এবং গণহত্যা সহ্য করতে না পেরে চীনা দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে।
