উত্তরপত্র কেলেঙ্কারির অভিযোগে বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের ৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক। পাশাপাশি তাদের সম্পদ বিবরণী দুদকে জমা দিতে বলা হয়েছে।
গত ২৩ মার্চ দুদক তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের ঐ ৭ কর্মকর্তা-কর্মচারী হলেন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অরুণ কুমার গাইন, সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক একে আজাদ ফারুক, উচ্চমান সহকারী সুজাতা স্বর্ণাকার, অফিস সহকারী গোবিন্দ চন্দ্র পাল, মনির হোসেন এবং দৈনিক মজুরি ভিত্তিক কর্মচারী শংকর মিত্র ও নিতাই পাল।
দুদক বরিশাল সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক রাজ কুমার সাহা জানান, গত ১৪ মার্চ পৃথক চিঠির মাধ্যমে বোর্ডের ঐ ৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ২৩ মার্চ বরিশাল দুদক কার্যালয়ে হাজির থাকলে বলা হয়েছিলো। তারা ঐদিন হাজির হয়ে তাদের বক্তব্য দিয়েছেন। তাদের সম্পদ বিবরণী চাওয়া হয়েছে, তারা কিছুটা সময় চেয়েছেন বিবরণী জমা দেওয়ার জন্য। ২০১৮ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তরপত্র জালিয়াতির ঘটনায় বোর্ড কর্তৃপক্ষের দায়ের করা মামলাটি বর্তমানে দুদক তদন্ত করছে। এর আগে মামলাটি তদন্তের দায়িত্বে ছিলো সিআইডি।
বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. ইউনুস সাংবাদিকদের জানান, ৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে উত্তরপত্র কেলেঙ্কারির অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাদের কাছে সম্পদ বিবরণীও চাওয়া হয়েছে।
