পোর্ট এলিজাবেথ স্টেডিয়ামের যত রহস্য

আপডেট : ০৭ এপ্রিল ২০২২, ১৬:২০

ডারবানে প্রথম টেস্টে ২২০ রানে হেরে সিরিজে পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ দল। আগামীকাল পোর্ট এলিজাবেথের সেন্ট জর্জ পার্কে শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। বাংলাদেশের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর শহর এটি। দক্ষিণ আফ্রিকার অন্যতম প্রাচীন ক্রিকেট স্টেডিয়ামও এটি। ১৮৮৯ সালে প্রথম টেস্ট হয়েছিল এখানে।

অ্যালান ডোনাল্ডের মতে, এখানে পেসাররা বোলিং উপভোগ করবেন। ব্যাটাররা বড় ইনিংস খেলতে পারবেন। কখনোই মনে হবে না বোলার বা ব্যাটাররা ম্যাচ থেকে ছিটকে গেছেন। ভেন্যু, কন্ডিশন সম্পর্কে পুরোপুরি ধারণাই দিয়েছেন বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ। তবে এখানে থাকবে বাতাসের ফাঁদ। যার সঙ্গে মানিয়ে বোলিং করতে হবে বোলারদের।

গতকাল সেন্ট জর্জ পাকে অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ দল। অনুশীলনের পর ডোনাল্ড বলেছেন, ‘আপনাকে তীব্র বাতাসের সঙ্গে লড়তে হবে পোর্ট এলিজাবেথে। দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ২টার মধ্যে স্কোর বোর্ডের দিক থেকে আসবে। বিকালে ৪০-৪৫ কি.মি. গতিতে আসবে। স্কোর বোর্ডের দিক থেকে বাতাসের টানেল আসছে মনে হবে। এবং এটা ঘুরতে থাকবে। বোলার হিসেবে আপনি কখনো এর সঙ্গে থাকবেন, কখনো বিপরীতে পড়ে যাবেন। কাউকে কঠিন (বাতাসের সঙ্গে বোলিং) কাজটা করতে হবে। এটা কঠিন কাজ হতে যাচ্ছে।’

এই মাঠে নিজের খেলার স্মৃতিচারণ করে ডোনাল্ড বলেন, ‘এটা দক্ষিণ আফ্রিকার পুরাতন টেস্ট ভেন্যু। এখানে দর্শকদের সামনে খেলাটা আমি উপভোগ করি। দর্শকদের চিত্কারে ভরা থাকবে মাঠ। আমার এখানে দারুণ সব স্মৃতি আছে অনেক দলের বিপক্ষে। এটা এমন উইকেট যেখানে আপনি কখনোই ব্যাটার বা বোলার হিসেবে ম্যাচে থাকবেন না, আবার ম্যাচের বাইরে চলে যাবেন না। সব সময় কিছু না কিছু হতে থাকবে।’

বোলারদের সতর্ক করে দিয়ে কিছু টিপসও দিলেন ডোনাল্ড। সাবেক এই প্রোটিয়া ফাস্ট বোলার বলেন, ‘এখানে আপনাকে বোলার হিসেবে সৃজনশীল হতে হবে। ইনিংস যত এগিয়ে যাবে, উইকেট ফ্লাট হবে। পেস বোলার হিসেবে আপনার হাতে কিছু থাকতে হবে নিজস্ব। সাহসী হতে হবে এবং ভিন্ন ভিন্ন জিনিস করতে হবে।’

এখানে রিভার্স সুইংও পেতে পারেন এবাদত-খালেদরা। ডোনাল্ড বলেন, ‘কয়েক বছর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ফ্লাট উইকেটে ডেল স্টেইন দারুণ বোলিং করেছে। যখন বল রিভার্স করবে, আপনি উইকেট নিতে পারবেন। বোলারদের জন্য কঠিন হতে যাচ্ছে। এটা এমন একটা টেস্ট ভেন্যু যেখানে বড় সেঞ্চুরি করতে পারবেন।’

ইত্তেফাক/টিএ