রাজধানীর বনানীতে ট্রাম্পস ক্লাবের নিচে চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরীকে হত্যা করা হয়। দুই যুগ পর সেই হত্যা মামলার পলাতক ও চার্জশিটভুক্ত এক নম্বর আসামি আশিষ রায় চৌধুরী গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
খুনি গ্রেফতার হলেও চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরীর দুই সন্তান শাফায়েত চৌধুরী ও লামিয়া চৌধুরী এ বিষয়ে মুখ খোলেনি। তবে তার মেয়ে লামিয়া চৌধুরী ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন।
লামিয়া সেখানে লিখেছিলেন, ‘ভালো আছি, ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো।’
ধারণা করা হচ্ছে, চিঠিটি বাবার উদ্দেশে। অথবা মা চিত্রনায়িকা দিতির উদ্দেশ্যেও লেখা হতে পারে। তবে সোহেল-দিতি দম্পতির পুত্র শাফায়েত চৌধুরী আছেন একেবারেই নিশ্চুপ। কোথাও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
শাফায়েত ও লামিয়া চৌধুরী ১৯৯৮ সালে বাবা এবং ২০১৬ সালে মা দিতিকে চিরতরে হারিয়েছেন। এই তারকা জুটির দুই সন্তান একেবারেই মিডিয়া থেকে বাইরে জীবনযাপন করেন। কানাডার রিয়ারসন ইউনিভার্সিটি থেকে পড়াশোনা শেষ করে নেদাল্যান্ডসের আমস্টারডামে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি বিপণন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন শাফায়েত। তবে মাঝে মাঝে দেশে আসেন।
অন্যদিকে লামিয়া ঢাকাতেই থাকেন। তিনিও পড়াশোনা করেছেন কানাডায়। টরন্টো ফিল্ম স্কুল থেকে পড়াশোনা শেষ করে ঢাকায় এসে নির্মাতা হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন। মায়ের মৃত্যুর পর ২০১৬ সালে তার ইচ্ছা অনুযায়ী ‘দুই পুতুল’ শিরোনামে একটি নাটক নির্মাণ করেন লামিয়া। এরপর আর নিয়মিত দেখা যায়নি তাকে। তিনি বর্তমানে ফেসবুকে একটি পেজ খুলে ফাস্টফুড সরবরাহ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
প্রসঙ্গত, গত ২০ মার্চ সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আব্দুল আজিজসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। পরোয়ানা জারি হওয়া অন্য ২ আসামি হলেন-ট্রাম্পস ক্লাবের মালিক আফাকুল ইসলাম ওরফে বান্টি ইসলাম ও সেলিম খান।

অপূর্ব-মেহজাবীনের নাটকের ভেতরে আরেক নাটক!