গ্রীষ্মের বৈরী আবহাওয়াতে ঘেমে-নেয়ে চুলের চিটচিটে অবস্থা হয়ে যায়। মাথায় খুশকি, চুল নিষ্প্রাণ হয়ে যাওয়া, চুল পড়ার মতো সমস্যাগুলো কমবেশি সবারই জানা। গরমে চুলের দৈর্ঘ্য ও ঘনত্ব বিবেচনা করে চুল কাটলেই হবে না, সেই সঙ্গে নিজের বয়সের বিষয়টিও মনে রাখতে হবে।
গরমের সময়টাতে অনেক নারীই উঁচু করে খোঁপা বেঁধে রাখতে বেশি স্বচ্ছন্দবোধ করেন। আবার কেউ কেউ চুল একেবারে ছোট করে কেটে নিতে পছন্দ করেন। তবে মুশকিলটা হচ্ছে, কিছু চুলের কাট আছে, যেগুলোতে বয়স বেশি লাগে। আবার কিছু কাটে বয়স লুকিয়ে যায় চুলের ভেতরে।
- চুল খুব ছোট করে কেটে ফেলার আগে ভালো করে জেনে নিন সেই ‘হেয়ার কাট’ আপনার মুখের গড়নের সঙ্গে মানানসই কিনা। মুখের গড়ন যদি চওড়া হয়, তা হলে ছোট করে চুল কাটলে আপনাকে বয়স্ক দেখাতে পারে। সে ক্ষেত্রে চুলের সামনের দিকটা খানিক ছোট করে কাটতে পারেন। পুরো চুল ছোট করে না কাটাই ভালো।
- যদি লম্বা চুল হয়, তা হলে ‘লেয়ার কাট’ করিয়ে নিলে মন্দ হয় না। এ ভাবে কাটলে চুলের ঘনত্ব বেশি মনে হবে। লেয়ার করা চুল খোলা রাখলে চুলের ওপরেই নজর বেশি পড়ে। দেখতেও দারুণ লাগে।
- অনেকেই আছেন যারা চুলে বিভিন্ন রং করতে পছন্দ করেন। তবে কোন রং আপনার মুখের সঙ্গে ভালো দেখাবে সেটি কিন্তু জানতে ও বুঝতে হবে। চুলে গাঢ় রং না করাই ভালো। এতে ত্বকের বলিরেখার ওপর নজর বেশি চলে যায়। বয়েসের ছাপ ঠেকিয়ে রাখতে চুলে হালকা রং করাই বুদ্ধিমতীর কাজ।
- মাঝেমধ্যেই চুল কাটার ধরণে বদল আনবেন। একই ধরনের চুল কাটলে আপনার চেহারায় একঘেয়েমি চলে আসতে পারে। কখনও বড় চুল কখনও আবার কাঁধ পর্যন্ত— চুল কাটার সময়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে থাকুন। দেখবেন চুলের কারণেই আপনার বয়স কম লাগছে।
