মুড়ি ভাজার কারখানা কচুয়া উপজেলার কাদলা গ্রামের পালবাড়িতে। মুড়ি ভাজার কারিগরেরা খুবই ব্যস্ত সময় পার করছেন। কারিগরদের যেন দম নেওয়ারও সময় নেই।
সরেজমিন কাদলা গ্রামের পালবাড়িতে গেলে মুড়ি ভাজার কারিগর বিমল পাল, যুবরাজ, অমর পাল, অজয় পাল ও শ্যামল পাল জানান, মুড়ি ভাজা তাদের বাপ-দাদার ঐতিহ্যগত পেশা। সংসারের হাল ধরার একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হিসেবে তারা বংশগতভাবে এই পেশার ওপরই নির্ভরশীল। পালবাড়ির ২৫টি পরিবার এই পেশায় জড়িত ছিল। বর্তমানে মাত্র চার-পাঁচটি পরিবার এ পেশায় জড়িত রয়েছে। বাকিরা অন্য পেশায় চলে গেছে।
তারা জানান, মুড়ি ভাজতে অনেক পরিশ্রম হয়। বর্তমান যুগে মুড়ির চাহিদা কমে যাওয়ায় তাদের এখানে আগের মতো লোকজন এখন আর মুড়ি ভাজতে আসে না। ধানের দাম বেশি হওয়ায় এবং আধুনিক মেশিনে মুড়ি ভাজায় হাতে ভাজা মুড়ির চাহিদা অনেকটাই কমে গেছে। তবে রমজান এলে একটু চাহিদা থাকলেও বছরের অন্যান্য সময় অনেকটা অলস সময় কাটাতে হয় তাদের।
তারা আরো জানান, এ পেশায় আগের মতো চাহিদা না থাকায় বংশগত পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন অনেকে।

