পাকিস্তানের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পেছনে ওয়াশিংটনের ষড়যন্ত্র আছে বলে যে অভিযোগ করেছেন ইমরান খান। কিন্তু পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইমরান খানকে সরানোর ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো হাত নেই বলে দাবি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম ডন।
ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগে পাক এই প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছিলেন যে, তার স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির কারণে কিছু ‘বিদেশি শক্তি’ বিরক্ত। তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে বিরোধীদের অর্থায়ন করেছে সেই শক্তিরা। এ ষড়যন্ত্রের মূল কারিগর হিসেবে এক মার্কিন কূটনীতিকের নাম পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এর জবাবে জেলিনা পোর্টার বলেন, এটি প্রমাণ করার জন্য তার (ইমরান) কাছে কূটনৈতিক বার্তা আছে।
পৃথক এক ভাষণে ইমরান খান ওই মার্কিন কূটনীতিকের নাম ধরে সমালোচনা করেছেন। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী সচিব ডোনাল্ড লুকে তিনি মূলহোতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত আসাদ মজিদ খানকে ডেকে ডোনাল্ড লু পাকিস্তানের শাসক পরিবর্তনের হুমকি দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেন ইমরান খান।
চলতি বছরের ৭ মার্চ ওয়াশিংটনে নিযুক্ত পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূত আসাদ মজিদকে তলব করে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ এই কর্মকর্তা ইউক্রেনের চলমান ঘটনায় পাকিস্তানি নেতৃত্বের ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থানের নিন্দা জানান। একই সঙ্গে তিনি ক্ষমতা থেকে ইমরান খানকে সরিয়ে দেওয়া হলেই কেবল যুক্তরাষ্ট্র-পাকিস্তানের অংশীদারিত্ব সম্ভব বলে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেন।
