নেপালের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও অর্থনীতিকে প্রভাবিত করতে দেশটির অভ্যন্তরীণ বিষয়ে চীনের হস্তক্ষেপ সময়ের সাথে সাথে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে এও সত্য নেপালের জনগণ চীন বিরোধী অসংখ্য বিক্ষোভ করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সীমান্তের বিভিন্ন স্থানে নেপালের ভূখণ্ড দখলের কারণে চীনের ওপর দেশটির জনগণের অনুভূতি আরও উত্তেজিত হয়েছে। নেপালের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে চীনের হস্তক্ষেপের মাত্রা এবং তীব্রতা এইভাবে গত কয়েক বছরে তীব্র হয়েছে। এর ফলে চীন একটি পুশব্যাক করেছে।
২০২২ সালের জানুয়ারিতে নেপালের রাষ্ট্রীয় একতা অভিযান বিরাটনগর, মোরাং এবং জনকপুরে চীনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে। এছাড়া দেশটির সুশীল সমাজ নেপালের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অত্যধিক চীনা হস্তক্ষেপ এবং বিভিন্ন স্থানে নেপালি ভূখণ্ড দখলের প্রতিবাদ করে আসছে।
সদস্যরা মহেন্দ্র চক থেকে বিরাটনগরের ভাট্টা চক পর্যন্ত মিছিল করে এবং চীনা 'সম্প্রসারণ' এবং নেপালের শীর্ষ রাজনৈতিক বৃত্তে অযাচিত হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়।
বিক্ষোভের সময় অনেক বিক্ষোভকারী চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ছবি পুড়িয়ে এর আগে রাষ্ট্রীয় একতা অভিযান একই রকমের বিক্ষোভ করে এবং নেপালে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত হউ ইয়াংকির ছবি পুড়িয়ে ফেলেন।
প্রতিবাদকারী 'চীন বাড়ি ফিরে যাও' বলে স্লোগান দেয়।
