নাগেশ্বরীতে চৈত্রের শেষে টানা বৃষ্টিতে নিচু জমিতে পানি জমে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে তলিয়ে গেছে নদী অববাহিকার কিছু বোরো ধানখেত। ফলে বিপাকে পড়েছেন কৃষক।
উপজেলার সন্তোষপুর আমতলা এলাকার কৃষক আব্দুল কাদের জানান, তার তিন বিঘা জমির বোরো ধান পানিতে ডুবে গেছে। দ্রুত পানি নেমে না গেলে সেগুলো পচে নষ্ট হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে তার দুর্দশার শেষ থাকবে না। কারণ ঐ জমির ধানে তার সংসার চলে। দক্ষিণ রামখানা বানারপাড় এলাকার সালেহা খাতুনেরও তলিয়ে গেছে তিন বিঘা জমির ধানখেত। যা তিনি ঋণ, ধার-কর্যের টাকায় শ্রমিক দিয়ে লাগিয়েছেন। একই এলাকার কৃষক মোস্তাফিজুর রহমানের তলিয়ে গেছে আট বিঘা জমির ধানখেত। দ্রুত পানি নেমে না গেলে সেগুলো পচে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। প্রায় একই রকম কথা বলেন বিভিন্ন এলাকার অনেক কৃষক।
উপজেলা সিনিয়র কৃষি কর্মকর্তা শাহরিয়ার হোসেন জানান, আকাশ ভালো হলে রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়ায় ধীরে ধীরে কমে যাবে খালবিল, নদী-নালার পানি। তখন আস্তে আস্তে এসব জমির পানি নেমে জেগে উঠবে ডুবে থাকা বোরো ধানখেতগুলো। তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে বৃষ্টির পড়ে সেগুলোর বেশির ভাগই নেকব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হতে পারে।
