কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সারের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। পরে বিজিবি-পুলিশ ও আনসার ব্যাটালিয়নের সহায়তায় সার বিতরণ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে প্রশাসন।
স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার সোনাহাট ক্যাম্পের মোড়ে বিসিআইসি সার ডিলার ‘মেসার্স জনার্দন ট্রেডার্সে’ পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ৩০০ বস্তা ইউরিয়া সার বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হয়। সেখানে কৃষকের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় কিছু কৃষক পাশের সোনাহাট বাজারে বিএডিসি অনুমোদিত সার ডিলার পয়েন্ট ‘মেসার্স রাকিবুল ট্রেডার্সে’ এসে সার বিক্রির জন্য চাপ দিতে থাকেন। কিন্তু সার ডিলার বুধবার তার সার বিতরণের নির্দেশ নেই বলে জানান।
এই কথা শুনে বিক্ষুব্ধ কৃষকরা ডিলার পয়েন্টের সামনে সোনাহাট স্থলবন্দর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকে। এতে সড়কের দুপাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
পরে খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেব নাথ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুড়িগ্রামের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল জব্বার ও ওসি আজিম উদ্দিনসহ পুলিশ, আনসার সদস্য, সোনাহাট, কচাকাটা ও বাবুর হাট ক্যাম্পের (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) বিজিবি সদস্যদের সহায়তায় সার বিতরণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
মেসার্স রাকিবুল ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী হযরত আলী জানান, সর্ব শেষ ডিও অনুযায়ী আমি ডিএপি সার ২৩৫ বস্তা, টিএসপি ৯৫ বস্তা ও এমওপি ৯০ বস্তা উত্তোলন করি। বুধবার সার বিতরণের কথা ছিল না। হঠাৎ কয়েকশ কৃষক বিক্ষুব্ধ আচরণ করলে প্রশাসনের সহায়তায় সার বিতরণ করা হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল জব্বার জানান, বুধবার রাকিবুল ট্রেডার্স ডিলার পয়েন্টে সার বিতরণের দিন ধার্য ছিল না কিন্তু কৃষক বিশৃঙ্খলা করায় প্রশাসনের উপস্থিতিতে দুটি ডিলার পয়েন্টে সার বিতরণ করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেবনাথ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। পরে পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্যদের উপস্থিতিতে কৃষকের মাঝে সার বিতরণ করা হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত আছে। উপজেলায় কোনো সারের সংকট নেই।

গ্যাস না পেয়ে সিএনজি চালকদের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ