রংপুরে মশলার বাজার অস্থির

আপডেট : ০২ জুন ২০১৯, ২১:৩৫

স্টাফ রিপোর্টার, রংপুর

ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রংপুরে দাম বেড়েছে পোলাওয়ের চাল, আদা, রসুন, পেঁয়াজ আর ছোট এলাচসহ সব ধরনের গরম মশলার। চাল, তেল, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ আর রসুনের দর সামান্য বাড়লেও অস্থির করে তুলেছে আদার বাজার। মাত্র কয়েক দিন আগেও আদা বাজারে খুচরা বিক্রি হয়েছে এলসি-৭০ টাকা দেশি ১শ’ টাকা। বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ২শ’ থেকে ২২০ টাকা দরে। তবে সেমাই, চিনিসহ মাছ মাংসের দাম কিছুটা বেড়েছে।

আদার দাম বেশী বেড়ে যাওয়ায় বেকায়দায় পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারী বাজারে দাম বাড়ালে  আমাদের কী করার আছে। সবের বাজারে এখনও ক্রেতার সমাগম তেমন চোখে না পড়লেও পণ্য সামগ্রীর দর দেখে হতাশ সাধারণ ক্রেতারা।

বিক্রেতারা বলছে, ক্রেতারা এখনও শাড়ি, জামা প্যান্ট আর জুতা স্যান্ডেল কেনাকাটা নিয়ে ব্যস্ত। কাঁচা মাল আর চাল মশলার বাজারে আসবে ঈদের দু’এক দিন আগে।

রবিবার রংপুরের আট উপজেলার হাট-বাজারসহ মহানগরীর কেন্দ্রীয় সিটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পোলাওয়ের চাল ‘চিনিগুড়া’র কেজি চার পাঁচদিন আগেও ৮৫ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১১০ টাকা দরে। তবে অন্যান্য চাল রাজভোগ, রাধুনী, কাটারীভোগ এসবেরও দাম বেড়েছে কেজিতে ২/৩ টাকা করে। বিভিন্ন মানের সেমাইয়ের দাম রয়েছে আগের মতই ৪৫/৫০ টাকা কেজি। মশুরের ডাল দু’দিন আগেও বিক্রি হয়েছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে, বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ১০২ থেকে ১০৫টাকা দরে। সেমাই তৈরিতে অতি প্রয়োজনীয় উপাদান এই ছোট এলাচ ক’দিন আগে বিক্রি হয়েছে ১৬শ’ থেকে ১৭শ’ টাকা প্রতি কেজি। এখনা ২২শ’ থেকে ২৪শ’ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৪০ টাকার কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা কেজি দরে। এছাড়া করলা, বেগুন, পটল, ঝিঙ্গার দাম রয়েছে অপরিবর্তিত।  ঈদের আগে অস্থিতিশীলতার সৃষ্টি হয়েছে কাঁচা বাজার ও গরম মশলার বাজারে।

আর আড়তদার-ব্যবসায়ীরা বলছেন, বৃষ্টি এবং নানা কারণেই মালের আমদানি কম হওয়ায় দর কিছুটা বেড়েছে।

তারা জানান, কাঁচা তরকারী পচনশীল এসব ধরে রাখার কোন উপায় নেই। ফলে বেশি দামেই বেচতে হচ্ছে তাদের।

আদার বেশি দাম সম্পর্কে কাচামাল ব্যবসায়ীরা জানান, এমনিতেই এ সময়টায় আদার চাহিদা বেশি। এছা্ড়া আদা পচনশীল হওয়ায় হিমায়িত করে রাখা সম্ভব হয় না।