মনোহরগঞ্জে নেই খাদ্যগুদাম

আপডেট : ১১ এপ্রিল ২০২২, ১৫:১৭

মনোহরগঞ্জ উপজেলা গঠনের ১৭ বছরেও তৈরি হয়নি খাদ্যগুদাম। এতে নানা বিড়ম্বনায় পড়ছেন এখানকার কৃষক, ডিলার, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা। 

তাছাড়া এ উপজেলায় খাদ্য অফিস না থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমেও বিঘ্ন ঘটছে। খাদ্যগুদাম ও খাদ্য অফিস সংকটে সংশ্লিষ্ট সেবা পেতে ১২ কিলোমিটার দূরে পার্শ্ববর্তী লাকসাম উপজেলায় ছুটতে হয় এ উপজেলার বাসিন্দাদের। ২০০৪ সালে বৃহত্তর লাকসামের ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত হয় মনোহরগঞ্জ উপজেলা। ২০০৫ সালে শুরু হয় উপজেলাটির প্রশাসনিক কার্যক্রম। দীর্ঘ ১৭ বছরেও এ উপজেলায় খাদ্যগুদাম তৈরি না হওয়ায় মনোহরগঞ্জ উপজেলার জন্য বরাদ্দ সব খাদ্যশস্য গুদামজাত করা হয় পার্শ্ববর্তী লাকসাম উপজেলার খাদ্যগুদামে। 

উপজেলার হাটিরপাড় গ্রামের কৃষক এনায়েত উল্ল্যা জানান, মনোহরগঞ্জে খাদ্যগুদাম না থাকায় সরকারিভাবে ক্রয়কৃত ধানের সুষম বণ্টন থেকে বঞ্চিত কৃষকদের বাধ্য হয়ে কম মূল্যে খোলাবাজারে ধান বিক্রি করতে হয়। 

উপজেলার হাসনাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন জানান, খাদ্যগুদাম সংকটে এখানকার জনপ্রতিনিধিরা প্রতিনিয়ত বিড়ম্বনার স্বীকার হন। মনোহরগঞ্জের হাসনাবাদ ইউনিয়ন থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে লাকসাম উপজেলায় গিয়ে খাদ্যগুদাম থেকে ত্রাণসামগ্রীসহ খাদ্যশস্য পরিবহনে গুনতে হয় তিন গুণ টাকা।  

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল রানা জানান, খাদ্যগুদাম স্থাপনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

ইত্তেফাক/এআই