পাকিস্তানে মার্চেই ৭৬ জনকে গুমের অভিযোগ 

আপডেট : ১৪ এপ্রিল ২০২২, ১৬:৪২

গত মার্চ মাসে ৭৬ জন নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ পেয়েছে এনফোর্সড ডিসপিয়ারেন্সের তদন্ত কমিশন। কমিশনের প্রকাশিত মাসিক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ সালে এখন পর্যন্ত মোট ১৫৮ জন নিখোঁজ হওয়ার রিপোর্ট পেয়েছে কমিশন। এর মধ্যে জানুয়ারিতে ৩৪ জন এবং ফেব্রুয়ারিতে ৪৮ জন। 

মার্চ মাসের কমিশনের পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, কমিশন গত মাসে ৩৮ জনকে শনাক্ত করেছে- যাদের মধ্যে ৩৫ জন তাদের বাড়িতে ফিরেছে। এর মধ্যে একজনে জেলে বন্দি এবং দুইজনের লাশ পাওয়া গেছে। 

কমিশনের পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, বলপূর্বক গুমের মামলা হিসেবে গণ্য না হওয়ার কারণে মোট ২৩টি নিখোঁজের মামলা মুছে ফেলা হয়েছে। 

২০১১ সালের মার্চ থেকে ২০২২ সালের মার্চ পর্যন্ত কমিশন বলপূর্বক গুম সংক্রান্ত আট হাজার ৪৬৩টি অভিযোগ পেয়েছে। এর মধ্যে কমিশন ছয় হাজার ২৭৫ টি মামলা নিষ্পত্তি করেছে। তবে তদন্তের সময় দুই হাজার ২৬৬ জনের হদিস পাওয়া যায়নি বলে পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে। 

কমিশন কোয়েটার বাসিন্দা মুহাম্মদ নবী মারি এবং মুহাম্মদ খান মারির মামলাটি গ্রহণ করে। কোয়েটায় এই মামলার শুনানিতে, এসপি কায়েদ আবাদ কোয়েটা কমিশনকে জানান ২০১২ সালের ১১ এপ্রিল কথিত এই বলপূর্বক গুমের ঘটনা ঘটেছে।

গত বছর কোয়েটার সরিয়াব রোডের কিল্লা ফিরোজাবাদের ময়দানে এই দুজনের মৃতদেহ পাওয়া যায়।  মেডিকেল-লিগ্যাল অফিসার ডেথ সার্টিফিকেট ইস্যু করার পর উভয়ের মরদেহ আইনি উত্তরাধিকারীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। 

কমিশনের পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, গুম হওয়ার অভিযোগের মধ্যে এখন পর্যন্ত তিন হাজার ৩১৯জন বাড়ি ফিরেছে। ৯৪০ জনকে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অন্তরীণ কেন্দ্রে বন্দি করা হয়। এছাড়া ৫৮৫ জনকে কারাগারে বন্দি করা হয় এবং ২৩০ জনের মৃতদেহও পাওয়া যায়।

 

ইত্তেফাক/এসআর