গাছ থেকে ঝড়ে পড়া আম কুড়াতে গিয়ে চরম নির্যাতনের শিকার হয়েছে নাদিয়া আক্তার (৫) নামে এক শিশু। তার ওপর এই অমানবিক নির্যাতন চালান একই গ্রামের কপিল উদ্দিনের ছেলে সোহেল মিয়া। বাঁশের কঞ্চি দিয়ে ওই শিশুকে পিটিয়েই ক্ষান্ত হননি তিনি। মাটিতে ফেলে বুকের ওপর পা তুলে দিয়ে পিষে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয় তাকে। ঘটনাটি ঘটেছে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বাহাগিলি ইউনিয়নের উত্তর দুরাকুটি গ্রামে।
জানা গেছে, উত্তর দুরাকুটি গ্রামের পলাতক পিতা নাজমুলের শিশু কন্যা নাদিয়া আক্তার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে একই গ্রামের কপিল উদ্দিনের ছেলে সোহেল মিয়ার আম গাছ থেকে ঝড়ে পড়া আম কুড়াতে যায়। তা দেখে সোহেল মিয়া নাদিয়াকে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে পেটাতে থাকে। এসময় নাদিয়া মাটিতে পড়ে গেলে তার বুকের উপর পা দিয়ে পিষে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। নাদিয়ার পিঠে কঞ্চির আঘাতের একাধিক চিহ্ন রয়েছে।
নাদিয়ার মা লায়লা বেওয়া জানান, ঝড়ে পড়া আম কুড়ানোর অপরাধে আমার শিশু কন্যাকে অমানুষিক নির্যাতন করে মেরে ফেলার চেষ্টা করে সোহেল।
বাহাগিলি ইউপি চেয়ারম্যান সুজাউদ্দৌলা লিপটন বলেন, শিশুটির সঙ্গে যে নির্যাতন চালানো হয়েছে, তা অমানবিক এটা কখনো মেনে নেওয়া যায় না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূরে-ই আলম সিদ্দিকি বলেন, নির্যাতনের শিকার শিশুর অভিভাবককে প্রথমে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা নিতে বলেছি। এরপর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ভুক্তভুগির পরিবারকে থানায় যেতে বলেছি।
কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাজীব কুমার রায় বলেন, অভিযোগটি ডিউটি অফিসারের কাছে আছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজারহাটে ভুট্টা চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের