নগরীর শাহ আমানত সেতু সংযোগ সড়ক যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। ৬ লেনের সড়কটির নির্মাণ কাজ এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। ঈদের আগে ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য নির্মাণাধীন সড়কে নির্বিঘ্নে যান চলাচলের জন্য উপযোগী করা হয়। ফলে দক্ষিণ চট্টগ্রামবাসী জনদুর্ভোগ থেকে কিছুটা হলেও রেহাই পাবে।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ও অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক আশিক কাদির ইত্তেফাককে জানান, কর্ণফুলী সেতুর দক্ষিণ পাশে চার লেনের মধ্যে তিন কিলোমিটার সড়কের কাজ শেষ হয়েছে। উত্তর পাশে বহদ্দারহাট পর্যন্ত ছয় লেনের মধ্যে পাঁচ কিলোমিটার সড়কের কাজও প্রায় শেষ। ঈদের পর আন্ডারপাস দুটির ওপরের অংশে কার্পেটিং ও র্যাম্প নির্মাণের কাজ চলবে। শহর অংশে চারটি সেতু নির্মিত হয়েছে। সড়কের অবশিষ্ট কাজ ঈদের পর শেষ হবে। ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে ঈদের আগেই সড়কটি খুলে দেওয়া হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ছয় লেনের সড়কটিতে রাহাত্তারপুল ও কালামিয়া বাজার এলাকায় দুটি আন্ডারপাস নির্মাণ করা হয়েছে। তবে কাজ এখনো বাকি রয়েছে। আন্ডারপাস এলাকার পাশে তিন লেনের সড়ক কার্পেটিং করা হয়েছে। যাতে যান চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে না হয়।
সওজ সূত্র জানায়, ২০১৭ সালের ছয় মার্চ ২৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে তৃতীয় কর্ণফুলী সেতু অ্যাপ্রোচ সড়কের কাজ শুরু হয়। সেতুর উভয় পাশে আট কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পের অধীনে রাহাত্তারপুল, কালামিয়া বাজার ও চাক্তাই রাজাখালী ব্রিজ এলাকায় তিনটি আন্ডারপাস নির্মাণ, শহর অংশে চারটি সেতু ও একটি কালভার্ট নির্মাণ, বহদ্দারহাট ইন্টার সেকশন থেকে কর্ণফুলী সেতুর শহরের অংশে ছয় লেনের পাঁচ কিলোমিটার, সেতুর দক্ষিণ পাড়ে শিকলবাহা ক্রসিং পর্যন্ত চার লেনের তিন কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ এবং সাতটি কালভার্ট নির্মাণ করা হচ্ছে। আগামী ডিসেম্বর মাস প্রকল্পের মেয়াদ রয়েছে। বাংলাদেশ ও কুয়েত সরকারের যৌথ অর্থায়নে সড়কটি নির্মিত হচ্ছে। বাংলাদেশ সরকার দিয়েছে ১৬৩ কোটি ১১ লাখ টাকা এবং কুয়েত সরকার দিয়েছে ১০৭ কোটি টাকা।
