যে লবণাক্ত ঘেরে এখন আগের মতো আশানুরূপ মাছ হয় না, সেই ঘেরে এখন চাষির মন আলো করে দোল খাচ্ছে পাকা সোনালী ধান। বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইউন্সিটিউট-বিনা সাতক্ষীরা উপ-কেন্দ্র আয়োজিত মাঠ দিবসে কৃষি কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে দৃশ্যমান হলো সেই মনোরম দৃশ্য।
বুধবার (২০ এপ্রিল) বিকালে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের হরিণখোলা এলাকার বিনা-১০ ধানের মাঠ দিবসে সভাপতিত্ব করেন বিনা’র ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. বাবুল আকতার। প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নুরুল ইসলাম। আলোচনা করেন, কৃষক অরবিন্দ সরকারসহ কৃষি কর্মকর্তা ও স্থানীয় কৃষকবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে সফল কৃষক ও কৃষাণীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন বিনা সাতক্ষীরা উপ-কেন্দ্র। এ সময় হরিণখোলা এলাকার কৃষকরা ১৫-১৬ ডিএস মাত্রার লোনা জমিতে বিনা ধান-১০ চাষাবাদ করে সফল হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
বিনা’র ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. বাবুল আকতার বলেন, বিনা উপকূলের সকল পতিত জমিতে সফল চাষাবাদ ও চাষিকুলকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার জন্য কাজ করছে এবং করে যাবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নুরুল ইসলাম বলেন, ‘দুর্যোগপ্রবণ সাতক্ষীরার উপকুলে বিনা ধান-১০ সফল চাষাবাদ এ এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে।’

