লবণ সহিষ্ণু সয়াবিনের দুটি জাত উদ্ভাবন

আপডেট : ২১ এপ্রিল ২০২২, ১০:২১

গাজীপুরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরকৃবি) কৃষিতত্ত্ব বিভাগ কর্তৃক উদ্ভাবিত সয়াবিনের দুটি জাত (বিইউ সয়াবিন-১ ও বিইউ সয়াবিন-২) দেশের দক্ষিণাঞ্চল নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলার শত শত কৃষকের মাঠে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

রাজকীয় নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সহযোগিতায় সলিডারিডাড নেটওয়ার্কের সহায়তায় এই দুটি জাতকে বিনা ও বারী কর্তৃক উদ্ভাবিত অপর তিনটি জাতের সঙ্গে চাষ করা হয়। সলিডারিডাড উল্লেখিত জেলার ৩৫ হাজার ক্ষুদ্র ও মাঝারি চাষিকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার জন্য কারিগরি সহযোগিতা দিয়ে আসছে। বশেমুরকৃবির উদ্ভাবিত বিইউ সয়াবিন-১ ও বিইউ সয়াবিন-২ জাত দুটি বিনা ও বারী জাতের চেয়ে অধিক ফলনশীল, জীবনকাল কম, খাদ্যমান (প্রোটিন ও তেল) বেশি এবং লবণসহিষ্ণু।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ বিভাগের উপরেজিস্ট্রার মো. মজনু মিয়া জানান, চলতি বছর উল্লেখিত জেলাসমূহে হাজার হাজার হেক্টর জমিতে ব্যাপকভাবে উন্নত সয়াবিন চাষাবাদ করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত জাত দুটির উত্পাদনক্ষমতা সরেজমিন পরিদর্শনের জন্য গত ১৮ এপ্রিল বশেমুরকৃবির উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. গিয়াসউদ্দীন মিয়া, উদ্ভাবক কৃষিতত্ত্ব বিভাগের প্রফেসর ড. মো. আব্দুল করিম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (গবেষণা) প্রফেসর ড. এ কে এম আমিনুল ইসলাম সলিডারিডাড আয়োজিত কৃষকের মাঠ পরিদর্শন ও মাঠ দিবসের মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।

মাঠ পরিদর্শনের আগে ১৭ এপ্রিল সন্ধ্যায় সলিডারিডাডের উদ্যোগে নোয়াখালী জেলার স্থানীয় অতিথি ভবনে জেলা প্রশাসক, সলিডারিডাডের কান্ট্রি ম্যানেজার ও জেলার সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তা এবং বিজ্ঞানীদের উপস্থিতিতে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বশেমুরকৃবির উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. গিয়াসউদ্দীন মিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক উদ্ভাবিত জাতসমূহ অত্র এলাকায় কৃষকের মধ্যে সম্প্রসারণের জন্য সলিডারিডাডকে প্রশংসাসূচক ধন্যবাদ জানান।

ইত্তেফাক/এমআর