উখিয়ায় প্রতি বছরই কমছে ফসলি জমি। বসতবাড়ি নির্মাণ, পুকুর খনন, ইটভাটা-কলকারখানা নির্মাণসহ বিভিন্ন কারণেই ফসলি জমি কমছে বলে অভিমত সচেতন মহলের। এতে উপজেলায় খাদ্যসংকট সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উখিয়া খাদ্যগুদামের কর্তৃপক্ষ ওসিএলসডি সুজিত বিহারী সেন (বর্তমানে কক্সবাজারে দায়িত্বরত) বলেন, কৃষি জমির অপব্যবহারের কারণে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী চাষাবাদ হয়নি। যে কারণে গত দুই বছরে সরকারি ন্যায্যমূল্যের ধান সংগ্রহ করতে গিয়ে অনেক চড়াই-উতরায় পার হতে হয়েছে। তিনি বলেন, কৃষিজমি সংরক্ষণ করা না হলে অদূর ভবিষ্যতে দেশে খাদ্য ঘাটতির আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
কৃষি কর্মকর্তা প্রসেনজিত হাওলাদার বলেন, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে অবৈধ ইটভাটায় বিক্রি করছে। ফলে কমছে কৃষিজমি।
কৃষি অফিসের তথ্যমতে, প্রতি বছর ফসলি জমির পরিমাণ এক একর কমছে। এ প্রসঙ্গে বেশ কয়েক জন জমির মালিক জানান, মাটি পাচারকারী রাতের আঁধারে মাটি নিয়ে যাচ্ছে। কোনো বাধা মানছে না তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসাইস সজীব বলেন, অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারিভাবে দিকনির্দেশনা রয়েছে।
