শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ১৭ আষাঢ় ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

যুক্তরাষ্ট্রে দুর্ঘটনার চেয়ে গুলিতে প্রাণ গেছে বেশি শিশুর

আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০২২, ১০:৪০

যুক্তরাষ্ট্রে শিশুদের মৃত্যুর ক্ষেত্রে দুর্ঘটনাকে ছাপিয়ে গেছে বন্দুকের গুলি। ২০২০ সালে কোভিড মহামারির শুরুর বছরে যুক্তরাষ্ট্রে ৪ হাজার ৩০০ শিশুর মৃত্যু ঘটে বন্দুক হামলা সংক্রান্ত কারণে। আইনিভাবে আগ্নেয়াস্ত্র রাখার সুযোগ প্রায় অবাধ বলে যুক্তরাষ্ট্রের ৩২ কোটি নাগরিকের হাতে ৩৯ কোটি আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে।

আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণের দাবি বিভিন্ন সময়ে উঠলেও অস্ত্র নির্মাতাদের চাপে তাতে কোনো পরিবর্তন হয়নি। আর মহামারির মধ্যে বন্দুক সহিংসতা বেড়ে যায়। ইউএস সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) তথ্যানুযায়ী, ২০২০ সালে আগ্নেয়াস্ত্রের কারণে ১ থেকে ১৯ বছর বয়সী শিশু ও কিশোরের মৃত্যু, আগের বছরের চেয়ে ৩৩ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। 

বিগত বছরগুলোতে তরুণ আমেরিকানদের মৃত্যু প্রধান কারণ ছিল গাড়ি দুর্ঘটনা, এরপরে ছিল বন্দুকজনিত মৃত্যুর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু কমেছে, ২০২০ সাথে ১৯ বছররে নিচে আনুমানিক ৩ হাজার ৯০০ আমেরিকানের মৃত্যু হয়েছে। ২০২০ সালে বন্দুক সহিংসতায় মোট মিলিয়ে ৪৫ হাজার ২২২ জন আমেরিকানের মৃত্যু হয়েছে। 

দুই দশক আগের তুলনায় গত কয়েক বছরে এই মৃত্যু ১৩ শতাংশ বেড়েছে। সিডিসির গবেষণা অনুযায়ী, শিশু-কিশোরদের মধ্যে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে সার্বিক প্রাণহানির হার ২৯ দশমিক ৫ শতাংশ। গুলিতে মৃত্যুর ঘটনাগুলোর মধ্যে হত্যার পাশাপাশি রয়েছে আত্মহত্যা, অবহেলাজনিত ও অনিচ্ছাকৃত মৃত্যু। এই সময়ের মধ্যে দেশটিতে গুলিতে আত্মহত্যার হার বেড়েছে ১ দশমিক ১ শতাংশ। গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ‘যে মৃত্যু প্রতিরোধ করা যায়, সেই মৃত্যু থেকে আমরা আমাদের শিশুদের রক্ষা করতে ব্যর্থ হচ্ছি।’

ইত্তেফাক/এএইচপি

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

প্রথম নারী কৃষ্ণাঙ্গ বিচারপতি পেলো মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে

বাইডেন প্রশাসনের ক্ষমতা কমালো সুপ্রিম কোর্ট

রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনের জয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ: বাইডেন

পুতিনকে হুঁশিয়ার করেছিলাম: বাইডেন 

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

‘এখনো ইউক্রেনের বেশিরভাগ অঞ্চল দখল চান পুতিন’

ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়াকে সমর্থন করায় চীনা ও পাকিস্তানি কোম্পানি কালো তালিকাভুক্ত

‘ক্যাপিটলের দাঙ্গায় যোগ দিতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প’

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন নামে আসছে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট: রিপোর্ট