আজ ২৪ এপ্রিল কটিয়াদী গণহত্যা দিবস, ১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে পাকিস্তানি বাহিনী উপজেলায় প্রথম হানা দেয়। নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা করে ১১ জন নিরীহ মানুষকে।
স্বাধীন বাংলার পতাকা বিক্রি করে ছাত্রলীগ কর্মীরা স্থানীয় বিনাপানি ফার্মেসি থেকে। এই খবর পেয়ে পাকিস্তানি বাহিনী বিনাপানি ফার্মেসিসহ শতাধিক দোকান আগুনে পুড়িয়ে দেয় ও লুটপাট করে। সেদিন প্রাণ বাঁচাতে হাজার হাজার মানুষ ব্রহ্মপুত্র নদের অপর পার চরমান্দালীয়া গ্রামে আশ্রয় নেন এবং সেখানে মুক্তিযোদ্ধারা সংগঠিত হন।
শহিদদের স্মরণে আড়িয়াল খাঁ নদের তীরে বধ্যভূমিতে একটি স্মৃতিফলক নির্মিত হলেও অযত্ন অবহেলায় সেটিও জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। স্মৃতিস্তম্ভে শহিদদের নাম লেখা হলেও অনেকের অভিযোগ তালিকাটি অসম্পূর্ণ।
কটিয়াদী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার তুলসী কান্তি রাউত বলেন, মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানের ইতিহাসকে পরবর্তী প্রজন্মকে জানাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্মৃতিফলকে বাদপড়া সব শহিদদের নাম অন্তর্ভুক্ত ও উপজেলার বধ্যভূমিগুলো যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের জোর দাবি জানাচ্ছি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জ্যোতিশ্বর পাল বলেন, বধ্যভূমি সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যেসব শহিদদের নাম বাদ পড়েছে সেগুলো যাচাই- বাছাই করে স্মৃতিফলকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
