আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে নিত্য নতুন দ্রব্য সামগ্রী কেনাকাটা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন শোরুমসহ ফুটপাতের দোকনগুলোতে একদিকে ধনার্ঢ্য ব্যক্তিদের আনাগোনা আর নিম্ন আয়ের মানুষেরা ফুটপাতের বিশেষ করে পুরান জামা কাপড়ের দোকানে ভিড় জমাচ্ছে।
ঈদকে সামনে রেখে শোরুম আর ফুটপাতের দোকানই নয় শুধু রয়েছে রাজধানীসহ বিভিন্ন গামেন্টস থেকে মিনি ট্রাকে করে নিয়ে আসা কাপড় চোপরের ভ্রাম্যমাণ দোকান। এ সকল দোকানে গেঞ্জি, শার্ট, প্যান্ট, লুঙ্গি, পাঞ্জাবি-পায়জামা বিক্রেতাদের কানা ফাটা হাঁক ডাক এই যে ভাই নিয়া যান দেইহা যান, যাই নিবেন ১৩০ যাই নিবেন ১৩০। ভ্রাম্যমাণ দোকানে দোকানিদের হাঁক ডাকে থমকে দাড়ায় অনেকেই। পছন্দের মালামাল ক্রয় করতেও দেখা যায় তাদের।
ভ্রাম্যমাণ দোকানী মঞ্জুর আলম জানায়, আমরা গার্মেন্টস থেকে মালামাল ক্রয় করে স্বল্প লাভে বিক্রি করি। তাই বিক্রির পরিমান অনেটাই বেশি।
ক্রেতা আবুল হোসেন, সালমা জানান, এ সকল কাপড়ের সামান্য ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকে যা সহজেই অনেকের চোখে পড়ে না। তাই দামেও কম ক্রেতারাও ক্রয় করে বেশি।
অপর দিকে স্থানীয় বড় বাজারের খাসী, গরু, মুরগীর মাংস বিক্রয় ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কসাই আবুল হোসেন ও বিভিন্ন জাতে মুরগী বিক্রেতা ফজল খাঁ জানায়, গরুর মাংস ৬ শত টাকা, খাসী ৯শত মুরগীর মাংস বয়লার ১৭০, সোনালী ২৬০ আর লেয়ার ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছে। যা গতবারের তুলনায় অনেক অনেকটাই বেশি। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে বিক্রি ততই বেড়ে চলেছে।
তাছাড়াও ঈদ উপলক্ষে শহরসহ পাড়া-গায়ে একদিকে বেড়েছে স্বজনদের আগমন অপর দিকে রিক্সা, ভ্যান, সিনএজি, অটোবাইক দখল করে নিয়েছে প্রতিটি রাস্তা। বিভিন্ন রাস্তায় গড়ে ওঠেছে অস্থায়ীভাবে এসব গাড়ীর পার্কিং।
রিক্সা যাত্রী জানায়, যানবাহন ব্যাপক থাকলেও ভাড়া অনেক বেশি। ১০ টাকার ভাড়া এখন ১৫/২০ টাকা করে নিচ্ছে।
সার্বিকভাবে ঈদের আমেজ ছড়িয়ে পড়লেও চোরের উপদ্রবও বেড়ে গেছে। জানা যায়, বিভিন্ন দোকানে, ক্রেতা হিসেবে এসে ভীড়ের মধ্যে অনেক কিছুই চুরি করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাছাড়াও জেলার প্রতন্ত অঞ্চলে গরু চোর, পকেটমার সহ ঈদের আনন্দ অনেকটাই নিরান্দে পরিনত হয়েছে। এব্যাপারে প্রশাসনের নজরদারি আরও বৃদ্ধির আহবান জানিয়েছে এলাকার শান্তিপ্রিয় জনগন।
