গবেষণা সহযোগিতায় এনআইবি-জবি চুক্তি 

আপডেট : ১০ মে ২০২২, ২১:৪৯

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি (এনআইবি) এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) মধ্যে গবেষণা সমঝোতা স্মারক সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। রবিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কনফারেন্স রুমে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।  

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক ড. মো. সলিমুল্লাহ এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

পাশাপাশি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. জাহাঙ্গীর আলম ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কেশব চন্দ্র দাস এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান ও পরিচালক (গবেষণা) অধ্যাপক ড. পরিমল বালা সাক্ষী হিসেবে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

এই চুক্তির আওতায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জৈবপ্রযুক্তি এবং জৈব তথ্যবিজ্ঞানের শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা গবেষণা প্রকল্প বাস্তবায়ন, প্রযুক্তিগত ও বৈজ্ঞানিক তথ্য, জার্নাল আদান-প্রদান, যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও কনফারেন্সের আয়োজন, উচ্চতর গবেষণার ক্ষেত্রে গবেষক ও শিক্ষার্থীদের পোস্ট গ্র্যাজুয়েট, এম.ফিল ও পিএইচডি ডিগ্রির যৌথ তত্ত্বাবধান এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের রিসোর্স পার্সন ও গবেষকরা অত্যাধুনিক গবেষণাগার ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।

এছাড়াও উভয় প্রতিষ্ঠানের গবেষকরা নিয়মিত যৌথ প্রকাশনা ও যৌথ প্রকল্পের মাধ্যমে অর্জিত ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ এবং যৌথ উদ্দেশ্য অর্জনে যে কোন সহযোগিতা লাভ করবেন।

চুক্তি স্বাক্ষরের সময় উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, লাইফ এন্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদভুক্ত বিভাগসমূহের চেয়ারম্যানবৃন্দ,  জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. চঞ্চল কুমার বোস, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আবুল কালাম মো. লুৎফর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা ।

প্রসঙ্গত, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি (এনআইবি) বাংলাদেশের একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান যা জীবপ্রযুক্তি বিষয়ে গবেষণার পাশাপাশি সরকারকে সহায়তা ও পরামর্শ প্রদানের কাজে নিয়োজিত। ১৯৯৯ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।

ইত্তেফাক/এআই