মোস্তাফিজের শেষ ওভারের ম্যাজিকে কুপোকাত কলকাতা নাইট রাইডার্স। আর তাতেই মাত্র ১৪৭ রানের লক্ষ্য পায় দিল্লি ক্যাপিটালস। সহজ এই লক্ষ্য ৬ বল হাতে রেখেই জয় ছুঁয়ে ফেলে মোস্তাফিজের দিল্লি।
মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং করতে নেমে মোস্তাফিজের বোলিংয়ের সামনে আত্মসমর্পণ করেন কলকাতার ব্যাটাররা। প্রথম তিন ওভারে ১৭ রান খরচ করে উইকেট শূন্য ছিলেন কাটার মাস্টার। অবশ্য এদিন শুরুটাও করেছিলেন দূর্দান্ত। প্রথম ওভারে মাত্র দুই রান খরচ করেন বাঁহাতি এই পেসার। মাঝের দুই ওভারে খরচ হয় ১৫ রান। শেষ ওভারটা যেন অবিশ্বাস্য করলেন! মাত্র ১ রান খরচ করে তুলে নিলেন ৩ উইকেট। ১৯ ওভার শেষে কলকাতার রান ছিল ৫ উইকেটে ১৪৪। আর ২০ ওভার শেষে মোস্তাফিজের ম্যাজিকে সেটি গিয়ে দাঁড়ায় ৯ উইকেটে ১৪৬।
লক্ষ্য তাড়ায় নেমে দিল্লির শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি। রানের খাতা খোলার আগেই দলটির ওপেনার পৃথ্বী শ ড্রেসিংরুমে ফেরেন। কলকাতার পেসার উমেশ যাদবের প্রথম বলেই কট অ্যান্ড বোল্ড হন শ। এরপর দলকে ১৭ রানে রেখে বিদায় নেন তিনে নামা অজি অলরাউন্ডার মিচেল মার্শও (১৩)। তবে দিল্লি ঘুরে দাঁড়ায় ডেভিড ওয়ার্নার ও ললিত যাদবের ব্যাটে। দুজনের জুটিতে আসে ৬৫ রান।
ফিফটির দিকে ছুটতে থাকা অজি ওপেনার ওয়ার্নার ২৬ বলে ৪২ রান করে উমেশের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন। ২ রান যোগ হতেই ক্যারিবীয় স্পিনার সুনিল নারাইনের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন ললিত (২২)। ধাক্কাটা আরও জোরালো হয় দিল্লির অধিনায়ক ঋষভ পন্থ (২) দ্রুত বিদায় নিলে। তাকেও বিদায় করেন উমেশ। তবে প্রথমে অক্ষর প্যাটেল (২৪) ও পরে শার্দূল ঠাকুরকে (৮*) নিয়ে বাকি পথ পাড়ি দেন রোভম্যান পাওয়েল। ক্যারিবীয় এই হার্ডহিটার মাত্র ১৬ বলে ১ চার ও ৩ ছক্কায় ৩৩ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন।
৮ ম্যাচে ৪ জয়ে ৮ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে আছে দিল্লি। অন্যদিকে ৯ ম্যাচে ৩ জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে অষ্টম স্থানে অবস্থান কলকাতার। আর ৮ ম্যাচে ৭ জয়ে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে গুজরাট টাইটান্স।

বুমরাহ নয়, শাহিন আফ্রিদি বেশি কার্যকরী ও ভয়ঙ্কর: আকিব জাভেদ