‘সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপে বড় ক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়েছে হাওড়বাসী’

আপডেট : ২৯ এপ্রিল ২০২২, ১৫:০০

পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেছেন, সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণেই বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়েছে হাওড়ের মানুষ। ২ লাখ ২২ হাজার ৮ শ ৫ হেক্টর হাওড় রয়েছে৷ এর মধ্যে ৫ হাজার ৭ শ ৬৫ হেক্টর হাওড়ের ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পার্শ্ববর্তী ভারতের মেঘালয়, চেরাপুঞ্জি সহ কয়েকটি এলাকায় রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছিলো। সেখানে ১২০৯ মিলিলিটার বৃষ্টিপাত হয়। আর ওই বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত হাওড়ের ৫ হাজার ৭ শ ৬৫ হেক্টর এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতির পরিমাণ ২ শতাংশ। হাওড়ে ফসলের ৯০% কৃষকরা ঘরে তুলেছে। বাকিটা অতিদ্রুতই শেষ হবে। 

শুক্রবার (২৯ এপ্রিল) সকালে শরীয়তপুরের নড়িয়া-জাজিরার পদ্মার ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। 

উপমন্ত্রী বলেন, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, পানি উন্নয়ন বোর্ড, জেলা প্রশাসন ও কৃষিবিভাগ তথা সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণেই বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়েছে হাওড়বাসী। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিয়মিত এই ব্যাপারে খোঁজখবর নেন। আমি (পানি সম্পদ উপমন্ত্রী), প্রতিমন্ত্রী, সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিয়মিত ওই এলাকা পরিদর্শন করেছি। আমি তিনদিন সেখানে থেকেও কাজ করেছি। সেখানকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। আর হাওড়ের সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করে কাজ করছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়। জননেত্রী শেখ হাসিনা মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীর বাসযোগ্য বিশ্বমানের বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে ডেল্টাপ্লান-২১০০ বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন। আর এই মহাপরিকল্পনার ৮০ ভাগ কাজই পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন করবেন। এ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সারাদেশে নদীভাঙন ও জলাবদ্ধতার কোনো সমস্যাই থাকবে না। এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ড নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে।

এসময় তার সঙ্গে ছিলেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সৈয়দ আব্দুল আউয়াল শামীম, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ফরিদপুর অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল হেকিম, শরীয়তপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম আহসান হাবীব, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য জহির সিকদার প্রমুখ।

 

ইত্তেফাক/এমএএম