এবারও আরো বড় চ্যালেঞ্জ :মাশরাফি

আপডেট : ০৩ জুন ২০১৯, ২১:৩০

প্রোটিয়া বধের পর এবার কিউই বধের পালা। বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে ২১ রানে জয়ের প্রেরণাকে পুঁজি করে আগামীকাল বুধবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। ওভালের চেনা মাঠে কালকের ম্যাচটি হবে দিবারাত্রির। খেলা শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায়।

দক্ষিণ আফ্রিকাকে ধরাশায়ী করে এখন রীতিমতো হাওয়ায় ভাসছে টাইগাররা। দলের এই মোমেন্টামটা ধরে রাখতে চান মাশরাফি। এর রেশ ধরে পরের ম্যাচে কেন উইলিয়ামসনের দলকে হারিয়ে দেশবাসীকে ঈদের বাড়তি আনন্দ দিতে চান তিনি।

মাশরাফির মতে, শক্তির মাপকাঠিতে এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলগুলোর মধ্যে বিশেষ কোনো ফারাক নেই। তবে নিউজিল্যান্ড কোনো মতেই খাটো করে দেখার দল না। বরঞ্চ দক্ষিণ আফ্রিকার চেয়ে নিউজিল্যান্ডের ম্যাচটাই বাংলাদেশের জন্য বেশি চ্যালেঞ্জিং হবে।

গত রবিবার দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে ম্যাচ শেষে ওভালের প্রেস বক্সে নিউজিল্যান্ড ম্যাচের পরিকল্পনা নিয়েও কথা বলেন অধিনায়ক। বলেন, ‘এই বিশ্বকাপে আমরা মাত্র একটা ম্যাচ জিতেছি। সামনে আরো আটটি ম্যাচ। তবে এত দূরে তাকানোর আমাদের প্রয়োজন নাই। আমরা যেমন আজকে ফোকাসড ছিলাম দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ নিয়ে। আজকের চিন্তাটা এইখানেই বাদ দেওয়া উচিত। পরের ম্যাচ নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে। আমাদের ওইটা নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে। নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে আমরা কি পরিকল্পনা করছি আর সেটার একজিকিউশন ঠিক রাখতে পারছি কি না সেটা নিশ্চিত করতে হবে। আজকে হারলেও পরের ম্যাচে এটার কোনো ছাপ পড়তো না। আজকে জিতেছি। হয়তোবা আত্মবিশ্বাসটা ভালো থাকবে। আমার কাছে মনে হয় যে, পরের ম্যাচে আরো বেশি চ্যালেঞ্জ আসবে। বিশেষ করে ব্যাটসম্যানদের জন্য সামনে আরো বেশি চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। কীভাবে বড় ইনিংস করা যায় সেটা পরিকল্পনা করতে হবে। কীভাবে ম্যাচটা ভালো খেলা যায় সেদিকে ফোকাস করতে হবে। অধিনায়ক জানালেন, দলের একজন কম্পিউটার এনালিস্ট আছেন। তিনি ওয়ার্কআউট করবেন প্রথমে। তারপর দলের বাদবাকি সবাই বসবেন।’

টানা ছয়মাস প্রস্তুতি শেষে বিশ্বকাপে খেলতে আসা বাংলাদেশ দলের সদস্যদের উদ্দেশ্যে একটাই বার্তা মাশরাফির। আর তা হচ্ছে, ‘এখানে (বিশ্বকাপ মূল পর্বে) যদি খারাপ করেন তাহলে অজুহাত দেখালে লাভ হবে না। এখানে নিজের সেরাটাই খেলতে হবে। অন্যান্য টিম আমাদেরকে কীভাবে দেখছে এটা সম্পূর্ণ তাদের ব্যাপার। আমি প্রতিটা টিমকেই বড় হিসেবে দেখছি এবং আমরা আমাদের সেরাটাই খেলার চেষ্টা করব। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে ইনজুরিটাকে যেন ঠিকমতো সামাল দিতে পারি। প্লেয়াররা যেন চোট না পায় সেদিকে নজর রাখা জরুরি এই মুহূর্তে। আজকের মতো হয়তো প্রত্যেক ম্যাচে হবে না। কিন্তু সবাই যদি সেরা খেলাটার চেষ্টা করে অবশ্যই আমাদের সামনে আরো ভালো করার সুযোগ আছে। টিমের সবার স্বাভাবিক থাকা খুব জরুরি। আমরা একটা মাত্র ম্যাচ জিতেছি। সামনে আরো আটটি ম্যাচ। সমর্থকরা উত্তেজিত হলেও আমাদের ক্রিকেটারদের এখনই এতটা উত্তেজিত হওয়ার দরকার দেখি না। এখনো অনেক পথ যেতে হবে।’