দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি শেষে শুক্রবার গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ঘাট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে।
শুক্রবার সকালে যাত্রীর চাপ কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে ঢাকামুখী মানুষের চাপ। দুপুরের পর ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত সাড়ে ৩ কিলোমিটার এলাকায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। প্রচণ্ড গরমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা নারী ও শিশুদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। এ দিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘাট এলাকায় পুলিশ, আনসারসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টহলে রয়েছে।
এদিকে দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরি ও লঞ্চে যাতে কেউ বাড়তি টাকা না নিতে পারে সেজন্য জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্টেটকে নজরদারি করতে দেখা গেছে। পাশাপাশি জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তদারকি করতে দেখা গেছে।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্বপন কুমার মজুমদার জানান, দৌলতদিয়া ঘাটে যাত্রীদের ভিড় বেড়েছে। তাদের নিরাপত্তায় আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটের ম্যানেজার মো. সেলিম মিয়া জানান, শুক্রবার সকাল থেকে যাত্রীদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। তবে দুপুরের পর থেকে যাত্রীর চাপ বেড়ে যায়। বর্তমানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ২২টি লঞ্চ দিয়ে যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে।
বিআইডাব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. শিহাব উদ্দিন জানান, এই ঈদে যানবাহন পারাপার নির্বিঘ্ন করতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ২১টি ফেরি প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। এরমধ্যে দুটি ফেরি বিকল হওয়ায় মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ায় ভাসমান কারখানায় মেরামত করা হচ্ছে। বাকি ১৯টি ফেরি দিয়ে পারাপার করা হচ্ছে।
