উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জে ২১৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে ২৮টি সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। পানিতে প্লাবিত হওয়া বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ছাতকে ১৭২, দোয়ারাবাজারে ২৩,সদর উপজেলার ২০ এবং শান্তিগঞ্জের ১টি স্কুলসহ ২১৬টি স্কুলে পানি প্রবেশ করেছে।
এদিকে সুনামগঞ্জ সদর,বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর,ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলায় বন্যার পানিতে অনেক রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ। বৃহস্পতিবার (১৯ মে) সকালে সুনামগঞ্জের নদ- নদীর পানি বিপৎসীমায় ১৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড।
এদিকে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জে ২১৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্লাবিত হয়েছে এবং ২৮টি সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ছাতকে ১৭২, দোয়ারাবাজারে ২৩,সদর উপজেলার ২০ এবং শান্তিগঞ্জের ১টি স্কুলসহ ২১৬টি স্কুলে পানি প্রবেশ করেছে।
সুনামগঞ্জের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিইও) এসএম আব্দুর রহমান জানান, বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে স্কুলের অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতিসহ পাঠদানও বিঘ্নিত হচ্ছে।
সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, পানির কারণে স্কুল বন্ধ রয়েছে। আশার কথা পানি কমতেছে।
শহরতলির ইব্রাহিমপুরের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, ঢলের পানিতে বিদ্যালয়ে হাঁটু পানি। দীর্ঘদিন করোনার কারণে স্কুল বন্ধ ছিল। এখন আবার বিদ্যালয় বন্ধ হওয়ায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম আব্দুর রহমান জানালেন, জেলার ২৮ টি বিদ্যালয়ে পানি উঠেছে। শিক্ষকরা স্কুলে যাচ্ছেন, শিক্ষার্থীরা আসতে না পারায় পাঠদান করা যাচ্ছে না। পানি কমা শুরু হয়েছে, বিদ্যালয় পরিষ্কার করে দ্রুতই পাঠদান শুরু হবে।

বন্যায় প্লাবিত বিশ্বনাথের ৩ ইউনিয়ন