মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২ আশ্বিন ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

হিলি বন্দরে রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি ২৮ কোটি টাকা

আপডেট : ২০ মে ২০২২, ১৩:০৫

দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলি স্থলবন্দরে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের অর্থাৎ গত ১০ মাসে (জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত) রাজস্ব আদায় হয়েছে ৩৫৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। কিন্তু এই সময়ে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা ছিল ৩৮১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। ফলে রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে ২৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।

হিলি স্থলবন্দরের কাস্টমস কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত ২০২০-২১ইং অর্থবছরে হিলি স্থলবন্দর থেকে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৮৭ কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়। আর একারণে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড চলতি ২০২১-২২ইং অর্থবছরে হিলি স্থলবন্দর থেকে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ৪৫৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা নির্ধারণ করে।

বন্দরের কাস্টমস কার্যালয়ের তথ্যমতে চলতি অর্থবছরে মাসওয়ারী আদায় হয়েছে গত জুলাই মাসে ৩৬ কোটি ৩৫ লাখ টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে ৩৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। আগস্ট মাসে ৪৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে ২৬ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। সেপ্টেম্বর মাসে ৩৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে ৩৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা। অক্টোবর মাসে ৩৯ কোটি দুই লাখ টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে ৩৪ কোটি ৩১ লাখ টাকা। নভেম্বর মাসে ৪০ কোটি ৩২ লাখ টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে ৩২ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। ডিসেম্বর মাসে ৩০ কোটি ২৪ লাখ টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে ৩২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। জানুয়ারি মাসে ৩৪ কোটি ১২ লাখ টাকার বিপরীতে আদায় হয়েছে ৪৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। ফেব্রুয়ারি মাসে ৩৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে ৩৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। মার্চ মাসে ৪২ কোটি ৫৪ লাখ টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে ৩৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। এপ্রিল মাসে ৪২ কোটি ৮১ লাখ টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে ৩৮ কোটি ২৭ লাখ টাকা।

এবিষয়ে হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা এসএম নুরুল আলম খান বলেন, গত অর্থবছরে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে রেয়াতি হারে চাল আমদানির সুযোগ থাকায় দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ আমদানি হয়েছিল। ফলে রাজস্ব আদায়ও বেশি হয়। বর্তমানে চাল আমদানিতে শুল্কহার বৃদ্ধি থাকায় এই বন্দর দিয়ে চাল সহ পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে। আবার অন্যান্য পণ্যের আমদানিও কম হচ্ছে। আমদানি বৃদ্ধি পেলে রাজস্ব আদায় বেশি হয়। তাছাড়া রেয়াতি হারে চাল আমদানির সুযোগ বিগত বছরের তুলনায় সরকার যদি পুনরায় চলতি অর্থবছরেও অনুমতি দেই তাহলে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।

ইত্তেফাক/ ইআ