ইউক্রেনে নতুন প্রজন্মের লেজার অস্ত্র ব্যবহার করছে রাশিয়া 

আপডেট : ২০ মে ২০২২, ১৭:১৫

চলমান ইউক্রেন যুদ্ধে এখন পর্যন্ত খুব একটা অর্জন করতে পারেনি রাশিয়া। তবে দেশটি তা অর্জনে মরিয়া। বিশেষ করে পূর্ব ইউক্রেনে হামলা জোরদার করেছে রাশিয়া। এতে রুশ বাহিনী নতুন প্রজন্মের আরও শক্তিশালী অস্ত্র ব্যবহার শুরু করেছে। রুশ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন, ইউক্রেনের ড্রোন ধ্বংসে লেজার অস্ত্র ব্যবহার করছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ২০১৮ সালে বেশ কিছু নতুন অস্ত্র উন্মোচন করেন। এর মধ্যে আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, পানির নিচের পারমাণবিক ড্রোন, একটি সুপারসনিক অস্ত্র ও একটি লেজার অস্ত্রও ছিল।

ইতোমধ্যে রাশিয়া জানিয়েছে তারা ইউক্রেনে লেজার অস্ত্র ব্যবহার করছে। তবে মস্কোর এসব অস্ত্র সম্পর্কে জানা যায় সামান্যই। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুতিন ওই সময় একটি অস্ত্রের নাম বলেছিলেন পেরেসভেট। মধ্যযুগীয় যোদ্ধা আলেকজান্ডার পেরেসভেটের নামানুসারে এই অস্ত্রের নামকরণ করা হয়েছে। পেরেসভেট যুদ্ধে নিহত হয়েছিলেন। 

মস্কোতে এক সম্মেলনে লেজার অস্ত্র সম্পর্কে জুরি বোরিসোভ বলেন, ইতিমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় পেরেসভেট মোতায়েন করা হয়েছে। আকাশে দেড় হাজার কিলোমিটার দূরত্বে লক্ষবস্তুতে এ অস্ত্র আঘাত করতে পারে। 

গত বুধবার (১৮ মে) রাশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী ও দেশটির সমরাস্ত্র উন্নয়ন বিভাগের দায়িত্বে থাকা জুরি বোরিসোভ দাবি করেছেন, তারা ইউক্রেনে লেজার অস্ত্র ব্যবহার করছেন। তিনি বলেন, এই অস্ত্রের ডাকনাম জাদিরা বা সমস্যাসৃষ্টিকারী। এটি মাত্র পাঁচ মিনিটেই পাঁচ কিলোমিটার দূরের ড্রোন ধ্বংস করতে পারে। তবে তিনি এনিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। 

রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে রুশ উপপ্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করা হয়, মস্কো এসব অস্ত্র ইউক্রেনে ব্যবহার করছে কি–না। এ সময় তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ। এই অস্ত্রের প্রথম প্রোটোটাইপ ইতিমধ্যে সেখানে ব্যবহার করা হয়েছে।’

ইত্তেফাক/এসআর