বিশ্ব অর্থনীতির টুকিটাকি

আপডেট : ০৭ জুন ২০১৯, ২০:৩৭

প্রতিনিয়তই বদলে যাচ্ছে বিশ্ব অর্থনীতির প্রেক্ষাপট। অর্থনীতির ভান্ডারে যোগ হচ্ছে নতুন নতুন তথ্য। এসব

তথ্য ও সম্প্রতি ঘটে যাওয়া অর্থনীতির নানা বিষয় সংক্ষেপে তুলে ধরেছেন—  রিয়াদ হোসেন

যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি বেড়েছে ভিয়েতনামের

চলমান যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বাণিজ্যযুদ্ধে লাভবান হচ্ছে এশিয়ার দ্রুত অগ্রসরমাণ দেশ ভিয়েতনাম। যুক্তরাষ্ট্রে চীনের রপ্তানি কমতির দিকে। অথচ রপ্তানি বাড়ছে ভিয়েতনামের। গত প্রান্তিকে এশিয়ার যেসব দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে বেশি আমদানি করেছে, তার মধ্যে অন্যতম ভিয়েতনাম। এ গতি অব্যাহত থাকলে যুক্তরাজ্যকে ছাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অন্যতম রপ্তানিকারক দেশ হয়ে উঠবে দেশটি। তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ভিয়েতনাম থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি বেড়েছে ৪০ দশমিক ২ শতাংশ। দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ১৮ দশমিক ৪ শতাংশ ক্রয়াদেশ বেড়েছে। একই সময় যুক্তরাষ্ট্রে চীনা পণ্যের আমদানি কমেছে প্রায় ১৪ শতাংশ। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়, ভিয়েতনাম চলমন রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পারলে দেশটি ইতালি, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও ভারতকে হটিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে শীর্ষ রপ্তানিকারী দেশে পরিণত হতে পারে।

ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না ব্রাজিলের অর্থনীতি

গত জানুয়ারিতে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে জাইর বোলসনারো দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশটির অর্থনীতিকে টেনে তোলার বিষয়ে অনেকেই আশাবাদী হলেও তা ধীরে ধীরে মিইয়ে যাচ্ছে। পাঁচ মাসের মাথায়ই জ্বালানি নীতিমালায় হস্তক্ষেপ এবং কংগ্রেসে সঠিক নেতৃত্বের অভাবে প্রবৃদ্ধি নিয়ে প্রত্যাশা এখন ম্রিয়মাণ। এ অবস্থায় ব্রাজিলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস অর্ধেকে নামিয়ে এনেছেন বিশ্লেষকরা। এমনকি ২০২০ সালের আগে দেশটির অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধির দেখা মিলবে না। ব্রাজিলের অর্থনীতিতে যে ধরনের গতি দেখা যাচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে, ব্রিকসের অন্য দেশগুলোর সঙ্গে সমানতালে পা মেলাতে পারবে না দেশটি। ২০১৫ ও ২০১৬ সালের মন্দায় দেশটির অর্থনীতি প্রায় সাত শতাংশ সংকুচিত হয়েছে। ২০১৭ ও ২০১৮ সালে প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ১ দশমিক ১ শতাংশ। দেশটির ঋণের পরিমাণ এখন অর্থনীতির ৫১ শতাংশ। এটি আরো বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।