নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় কথিত প্রেমিকের সামনেই এক নারী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই নারীকে পুলিশ শুক্রবার দুপুরে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে কেন্দুয়া-মদন সড়কের কেন্দুয়া উপজেলার শাপলা ইটখলা নামক এলাকায় ধর্ষিত হন ওই নারী (৩০)। তিনি গাজীপুরে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। তার বাবার বাড়ি কেন্দুয়া উপজেলায়। তিনি ঈদের ছুটিতে বাড়িতে আসেন ।
তবে প্রেমিক সুমনের (৩৫) বাড়ির ঠিকানা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার পর থেকে অন্য ধর্ষকদের সাথে কথিত প্রেমিকও লাপাত্তা বলে জানিয়েছেন কেন্দুয়া থানার ওসি মো. রাশেদুজ্জামান। থানায় মামলা হয়েছে ।
ওসি ধর্ষিতার বরাত দিয়ে জানান, বেশ কয়েক বছর আগে ময়মনসিংহের আঠারবাড়ি এলাকার এক ছেলের সাথে ওই নারীর বিয়ে হলেও পরে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। এক ছেলে সন্তান রয়েছে ওই নারীর। গত তিন বছর ধরে সুমনের সাথে গাজীপুরেই পরিচয় থেকে প্রেম হয় তার। তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে চলতেন। কিন্তু কখনোই সুমনের বাড়িতে যাননি বা সুমনের আত্মীয়স্বজনের সাথেও ওই নারীর পরিচয় হয়নি। এমনকি সুমনের কোনো ছবিও ওই নারীর কাছে নেই।
ওসি আরো জানান, বৃহস্পতিবার মোটরসাইকেলে সুমনের সাথে বেড়ানোর একপর্যায়ে ইটখলার কাছে মোটরসাইকেল থামায় সুমন। এ সময় অন্য দুইজনের সাথে তারা ইটখলায় যায়। সন্ধ্যার পর চারিদিক অন্ধকার হয়ে এলে সুমনকে আটকে রেখে ওই নারীকে ধর্ষণ করে দুজন। পরে সুমনসহ নারীকে ছেড়ে দিলে সুমনও পালিয়ে যায়। পরে নারীটি থানায় এসে ঘটনা জানায়।
এই গণধর্ষণের ঘটনায় নারীর কথিত স্বামী সুমনও জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। ওসি বলেন, রাতেই পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সুমনসহ ধর্ষকদের ধরতে অভিযানে নেমেছে পুলিশ।
