চট্টগ্রাম মেডিক্যালের বার্ন ইউনিটে তিল ধারণের জায়গা নেই। ২৬ শয্যার এই ইউনিটে শনিবার (৪ জুন) রাতে সীতাকুণ্ডের বিএম কন্টেনার ডিপোতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছে প্রায় ৫০ জনের মতো।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বার্ন ইউনিটে জায়গা না থাকায় হাসপাতালে পার্শ্ববর্তী অন্যান্য ইউনিট গুলোতে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের প্রধান ডা. বদিউজ্জামান জানান, ২৬ শয্যর এই ইউনিটে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। কন্টেইনার ডিপোতে আগ্নিদগ্ধ হওয়া ৫০জনের বেশি ভর্তি করা হয়েছে। এই ওয়ার্ডে আগেও ৫৫ জনের মতো ভর্তি ছিল।
ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় ৪ শতাধিক দগ্ধ ও আহত হয়েছেন। তবে আহতদের মধ্যে ৪০-৫০ জনের অবস্থা গুরুতর। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের সহকারী পরিচালক রাজীব পালিত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা জানায়, শনিবার রাত ১০টার দিকে সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের শীতলপুর এলাকায় অবস্থিত বিএম কন্টেইনার ডিপোতে (সাবেক কাশেম জুট মিল) লোডিং পয়ন্টের ভেতরে আগুন লাগে। প্রথমে কুমিরা ও সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। পরে রাত পৌনে ১১টার দিকে এক কনটেইনার থেকে অন্য কনটেইনারে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। হঠাৎ একটি কনটেইনারে রাসায়নিক থাকায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে পুলিশের সদস্য, ফায়ার সার্ভিসের সদস্য ও শ্রমিকসহ ৪ শতাধিক মানুষ দগ্ধ ও আহত হন।

হতাহতদের সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে: ডিপো পরিচালক