টেকনাফে তিন রোহিঙ্গা, কুমিল্লা ও পীরগঞ্জে ২ মাদক ব্যবসায়ী নিহত

আপডেট : ০৭ জুন ২০১৯, ২২:৪০

ঈদের ছুটিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে কথিত বন্দুকযুদ্ধে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে শুধু কক্সবাজারের টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে শিশু অপহরণকারী চক্রের’ তিন রোহিঙ্গা সদস্য নিহত হয়। এছাড়া কুমিল্লা ও ঠাকুরগাঁওয়ে বিজিবির সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর—

 টেকনাফ (কক্সবাজার): বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন পাহাড়ের পাদদেশে এক অপহূত শিশুকে উদ্ধার করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে অপহরণকারী চক্রের সদস্যদের বন্দুকযুদ্ধ হয়। এতে থাইংখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-২ ব্লকের নুর আলম (২১), সি-১ ব্লকের শামসুল আলম (৩৫) ও  লেদা রোহিঙ্গা বস্তির হাবীব (২০) গুলিবিদ্ধ হয়। হাসপাতালে নেওয়া হলে তাদের মৃত্যু হয়। এছাড়া আহত পুলিশের তিন কনস্টেবল সেকান্দর, এরশাদুল ও সৈকত বড়ুয়াকে প্রাথমিক চিকিত্সা দেওয়া হয়েছে। টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের অফিসার্স ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাশ এ তথ্য জানিয়ে বলেন, গোলাগুলি থামলে ঘটনাস্থল থেকে অপহূত     শিশুটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় এবং অপহরণকারী দলের তিনজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়।

কুমিল্লা: গতকাল ভোররাতে কুমিল্লায় বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ হেলাল উদ্দিন নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। আদর্শ সদর উপজেলার ভারত সীমান্তের ঘিলাতলী নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তিন হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। কুমিল্লা কোটবাড়ির ১০ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আবু মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জানান, হেলাল ১০ বছর ধরে ভারত ও বাংলাদেশে মাদক চোরাচালানের কারবার করছিলেন। তার বিরুদ্ধে ঢাকা ও কুমিল্লার বিভিন্ন থানায় কমপক্ষে আটটি মামলা রয়েছে।

পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও): বিজিবির সঙ্গে মাদক কারবারিদের কথিত বন্দুকযুদ্ধে মনিরুল ইসলাম বাবুল (৩৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। বুধবার দিবাগত রাত ২টায় উপজেলার ফকিরগঞ্জ সীমান্ত এলাকার বঙ্গবন্ধু বাজারের পাশে এ ঘটনা ঘটে। বাবুল দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার উত্তর সুজালপুর গ্রামের বাসিন্দা। দিনাজপুর-৪২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল গাজী নাহিদ উজ জামান জানান, গত মঙ্গলবার ১১২ ফেন্সিডিলসহ বাবুল আটক হয়। তাকে নিয়ে অভিযান চালাতে গেলে মাদক ব্যবসায়ীরা বিজিবিকে আক্রমণ করে। বিজিবিও এ সময় গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই মারা যায় বাবুল।