আধুনিক তৈজসপত্রের ভিড়ে মাটির তৈরি জিনিস হারিয়ে যেতে বসেছে। ফলে সংকটে রয়েছেন মৃৎশিল্পীরা।
এক সময় বৈশাখ মাস থেকে পৌষ মাস পর্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করতেন কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার মৃৎশিল্পের কারিগররা। তাদের সেই ব্যস্ততা এখন আর নেই| ফলে বাজারে সারি সারি মাটির তৈজসপত্র তেমন একটা চোখে পড়ে না। মাটির তৈজসপত্রের জায়গা দখল করেছে দস্তা, অ্যালুমিনিয়াম ও প্লাস্টিকের জিনিসপত্র।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কয়েক বছর আগেও পাল পাড়া গ্রামের ৩০টি পরিবার এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত ছিল। বর্তমানে ১৫-১৬টি পরিবার বাপ-দাদার পেশাকে টিকিয়ে রাখতে এখন এ পেশায় জড়িত আছেন।
পাল পাড়া গ্রামের মৃৎশিল্পের কারিগর হরিদাস পাল বলেন, বৈশাখী ও পৌষসংক্রান্তি মেলাকে কেন্দ্র করে মাটির হাঁড়ি, পাতিল, কলস, বাটি ও খেলনাসামগ্রী তৈরি করেন তিনি। তবে আগের মতো মেলা বা উৎসব না হওয়ায় কাজের তেমন চাপ থাকে না। তিনি আরো বলেন, এখন আমরা মৌসুমি কারিগর হয়ে গেছি।
এ বিষয়ে নিকলী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু হাসান ইত্তেফাককে বলেন, এখন পর্যন্ত মৃৎশিল্পের জন্য কোনো সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হয়নি। সরকারি কোনো প্রজেক্ট এলে আমরা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবো।
