রোববার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

‘পরিদর্শকের ভুলে ক্ষতিগ্রস্ত ঢাবির খ ইউনিটের পরীক্ষার্থী’

আপডেট : ০৫ জুন ২০২২, ১৭:৫৮

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদভুক্ত 'খ' ইউনিটের পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে এক পরীক্ষার্থীর কাগজ ছিড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। ইউনিভার্সিটি ল্যাবরিটরি স্কুল কেন্দ্রের এক পরিদর্শক এ ঘটনা ঘটান বলে অভিযোগ করেছে সাদিয়া আফরিন নিঝুম নামের এক পরীক্ষার্থী। নিঝুমের বড় বোন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্সি বিভাগের শিক্ষার্থী। গতকাল শনিবার খ ইউনিটের এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। 

ওই ছাত্রীর অভিযোগ, পরীক্ষাকেন্দ্রের এক পরিদর্শক ভুলে তার খাতার বহুনির্বাচনী অংশের ওএমআরের পরিবর্তে লিখিত অংশের ওএমআর ছিঁড়ে ফেলেছেন। পরে নতুন খাতা দিতে ২০ মিনিট দেরি করেছেন তিনি।

এ বিষয়ে গতকালই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার প্রধান সমন্বয়কারী ও কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবদুল বাছির বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী ছাত্রী সাদিয়া আফরিন নিঝুম। তার ভর্তি পরীক্ষার রোল নম্বর ছিল ৩১১৩৪৯৭।

লিখিত অভিযোগে সাদিয়া আফরিন বলেছেন, ‘আমি ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের ৩০৬ নম্বর কক্ষে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছি। যথাসময়ে পরীক্ষা শুরু করেছি। ওই কক্ষের পরিদর্শক ছিলেন এক নারী। অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, তিনি ভুলক্রমে বহুনির্বাচনী ওএমআরের পরিবর্তে লিখিত অংশের ওএমআর ছিঁড়ে ফেলেছেন। আমি পুনরায় একই বহুনির্বাচনী ওএমআরে পরীক্ষা দিতে চাইলেও আমাকে দিতে দেওয়া হয়নি। নতুন খাতা এনে দিতে ২০ মিনিট দেরি হয়। আমাকে আবার নতুন করে ওএমআরসহ উত্তরগুলো পূরণ করতে হয়েছে। কক্ষ পরিদর্শকের ভুলের কারণে আমি মানসিকভাবে বিচলিত হয়ে পড়ি। শেষ ২০ মিনিটে আমাকে সম্পূর্ণ পরীক্ষা শেষ করতে হয়েছে। সময়ের জন্য লিখিত পরীক্ষাও সম্পূর্ণ করতে পারিনি। একজন নিয়মিত ছাত্রী হিসেবে আমার দীর্ঘদিনের পরিশ্রম বৃথা হয়ে গেল। আমি আমার কাঙ্ক্ষিত পরীক্ষাটি দিতে পারিনি।’

অভিযোগের বিষয়ে কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবদুল বাছির বলেন, আমি অভিযোগটি পেয়েছি। অভিযোগ পাওয়ার পর পরই ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও পরিদর্শকের সাথে কথা বলেছি। পরিদর্শক জানিয়েছেন, তারা পাশাপাশি দুজন পরীক্ষার্থী দেখাদেখি করছিলো। পরিদর্শক কাগজ চাইলে অস্থিরতার কারণে ভুল করে ফেলে। এতে কিছু সময় দেরি হয়, পরীক্ষার্থীকে সেজন্য অতিরিক্ত সময়ও দেয়া হয়।  

তিনি বলেন, আমরাতো কেউ কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলাম না। দুজনের সাথে আমি কথা বলে বুঝেছি পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষার্থীর অস্থিরতার কারণে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। তবে এতে পরীক্ষার্থীর কোন ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হবেনা।

ইত্তেফাক/এআই