কচুয়ার গুলবাহার গ্রামের বাসিন্দা শামছুল আলম খানের বাসভবন যেন মৌমাছির বাড়ি। তার ভবনের দ্বিতীয় তলার কার্নিশে মৌমাছির ১২টি চাক বসেছে। শামছুল আলম খান (৬২) পেশায় একজন ব্যাংকার।
তিনি জানান, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তার ভবনের দ্বিতীয় তলার কার্নিশে মৌমাছির দল বাসা বাঁধে। সে থেকে প্রতি বছর একই সময় মৌমাছিরা দলবেঁধে এসে বাসা বাঁধে এবং জুন মাসে চলে যায়। মৌমাছির এ বাসা বাঁধা ভাগ্যের বিষয় বলে মনে করছেন তিনি।
তিনি আরও জানান, অন্যান্য বছরের ন্যায় চলতি বছরেও মৌমাছির দল তাঁর ভবনে ১২টি চাক বসিয়েছে। এখান থেকে এ বছর তিনি প্রায় ৩৫ কেজি মধু আহরণ করেছেন। তার মধ্যে ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে ২৪ কেজি মধু বিক্রি করেছেন।
শামছুল আলম খানের বাড়ির বিপ্লব খান (৬০) ও পাশের বাড়ির শাহজাহান খান (৬৫) বলেন, শামছুল আলম খানের ভবনে প্রতি বছর নিয়মিত সময়ে মৌমাছির দল চাক বাঁধে। মৌমাছিগুলো কাউকে কামড়ায় না। এখনো পর্যন্ত তার পরিবারের কেউ মৌমাছির কামড়ের শিকার হয়নি। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, মৌমাছিগুলো যেন তার পরিবারেরই সদস্য। চাক থেকে আহরণকৃত খাঁটি মধু কেনার জন্য দূর-দূরান্ত থেকে লোকজনরা তার বাড়িতে ভিড় জমায়।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সওকাত হোসেন বলেন, শামছুল আলম খানের বাড়ির আশপাশে প্রচুর পরিমাণ আম গাছ রয়েছে। এসব গাছের মুকুল মৌমাছির খাদ্য ও মধু সংগ্রহের চাহিদা মেটায়। তাই প্রতি বছর এ সময় মৌমাছিরা তার বাড়িতে বাসা বাঁধে।

৫৬ ঘণ্টায়ও নেভেনি বিএম ডিপোর আগুন