ইউরোপিয়ান প্রতিষ্ঠানগুলো কেন চীনকে রেখে ভিয়েতনামকে পছন্দ করছে

আপডেট : ০৯ জুন ২০২২, ১৪:৫২

ভূরাজনীতির চাপ ও মূল্য বৃদ্ধির কারণে ইউরোপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান চীনের বাইরে বিকল্প উত্পাদন ব্যবস্থা খুঁজছে। তাদের বেশিরভাগেরই পছন্দ ভিয়েতনাম। করোনাভাইরাসের মহামারির মধ্যে এশিয়ার কয়েকটি দেশের মধ্যে ভিয়েতনাম অন্যতম যাদের অর্থনীতি তেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। চলতি অর্থ বছরে দেশটির প্রবৃদ্ধি হবে পাঁচ দশমিক ৫ শতাংশ হবে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

করোনা মহামারিতে দমে না যাওয়ায় ভিয়েতনামের দিকে বড় বড় ইউরোপীয়ান প্রতিষ্ঠান আগ্রহ খুঁজে পাচ্ছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে অন্যতম জার্মান প্রতিষ্ঠান ব্রোস। চীনে তাদের ১১টি ফ্যাক্টরি আছে। তবে সম্প্রতি ব্রোস তাদের উৎপাদন কার্যক্রম আরও দ্রুত করতে ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামে স্থান খুঁজছে।

গত ডিসেম্বরে, ডেনমার্কের লেগো ১ বিলিয়ন ডলার মূল্যের ফ্যাক্টরি নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভিয়েতনামে। যা দেশটির ইতিহাসে ইউরোপের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ।

এ প্রসঙ্গে জার্মান এশিয়া-প্যাসিফিক বিজনেস এ্যাসোসিয়েশনের ম্যানেজার ড্যানিয়েল মুলার বলেন, বর্তমানে এটি দেখে মনে হচ্ছে, বিশেষ করে, মাঝারি আকারের কোম্পানিগুলো ভিয়েতনামের বাজারে প্রবেশের জন্য ক্রমবর্ধমান প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বা চীনের বাইরে তাদের ক্রিয়াকলাপগুলোকে বিস্তৃত ভিত্তিতে রাখছে।

ইউরোপীয় সংস্থাগুলো বিভিন্ন কারণে চীনের বিকল্প খুঁজছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে, চীনা মজুরি বেড়েছে, যা চীনকে কম দামের নির্মাতাদের কাছে কম আকর্ষণীয় করে তুলেছে। ভূ-রাজনৈতিক দিকে দেখা যায়, ২০২১ সালে ইউরোপীয় সরকারগুলোর সাথে চীনের সম্পর্কের অবনতি ঘটে যখন ইইউ জিনজিয়াং অঞ্চলে উইঘুর মুসলিম সংখ্যালঘুদের সাথে আচরণের জন্য বেইজিং এর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। পাল্টা জবাবে ইউরোপের বিভিন্ন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে চীন।

ইত্তেফাক/টিআর