বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৪ আশ্বিন ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

ঝিনাইগাতীতে পাহাড়ি ঢলে ২০ গ্রাম প্লাবিত ভোগান্তিতে মানুষ

আপডেট : ১০ জুন ২০২২, ০৪:৩০

গত দুই দিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে শেরপুরের সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। শত শত মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। মহারশি নদীর দিঘিরপাড় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের পাঁচটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। 

গত বুধবার (৮ জুন) থেকে দুই দিনের অবিরাম বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা মহারশি, সোমেশ্বরী ও কালঘোষা নদীর পাহাড়ি ঢলের পানিতে উপজেলার সাত ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। মহারশি নদীর ঢলের পানির তোড়ে দিঘিরপাড় বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে ভাঙা অংশ দিয়ে পানি প্রবেশ করে। এছাড়া বৃহস্পতিবার (৯ জুন) সকাল থেকে মহারশি, সোমেশ্বরী ও কালঘোষা নদীর পানি বিপত্সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে আরো প্রায় ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে শতশত মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ে। ঝিনাইগাতী সদর বাজার, হাইওয়ে সড়ক ও উপজেলা পরিষদ চত্বরসহ অফিস পাড়াগুলো ৩ থেকে ৪ ফুট পানির নিচে তলিয়ে যায়। এতে সরকারি দপ্তরগুলোতে কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে। 

উপজেলার ধানশাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বলেন, সোমেশ্বরী নদীর পানি ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ইউনিয়নের পুরো গ্রামগুলো প্লাবিত হয়েছে। ঢলের পানির তোড়ে বাগের ভিটা চাপাতলি সেতুটি হুমকিতে পড়েছে। 

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, পাহাড়ি ঢলের পানিতে কৃষির তেমন কোনো ক্ষতি সাধিত হয়নি। সামান্য কিছু শাকসবজির ক্ষতি সাধিত হয়েছে। তবে হঠাৎ পাহাড়ি ঢলে পুকুর তলিয়ে মাছের ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে মত্স্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে। উপজেলা সদর বাজারে পানি প্রবেশ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোখলেছুর রহমান খান জানান। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারুক আল মাসুদ সকাল থেকেই পাহাড়ি ঢলের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, পাহাড়ি ঢলের পানিতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয়ের জন্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ইত্তেফাক/ ইআ