মঙ্গলবার, ০৯ আগস্ট ২০২২, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করতে চাই: নাসিমা আক্তার নিশা

আপডেট : ১৬ জুন ২০২২, ১৮:৪৮

ই-ক্যাব নির্বাচনকে ঘিরে চলছে প্রাণচাঞ্চল্য। নির্বাচনী পরিবেশের মধ্যেও উৎসবের আমেজ। গেলো কয়েক বছরের থেকে এবার যেন আগ্রহ একটু বেশি। মোট ৩১ জন প্রার্থী এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

সম্ভাবনাময় খাত ই-কমার্সের প্রতি মানুষের আগ্রহের প্রমাণ বর্তমান ই-ক্যাব নির্বাচন। এই খাতকে নিয়ে অনেকের আছে কৌতূহল। আছে নানা প্রতিবন্ধকতা কিন্তু সবকিছু ছাপিয়েই এটি সম্ভাবনার দুয়ার।

নাসিমা আক্তার নিশা। একজন নারী উদ্যোক্তা আন্দোলনের নাম। তিনি দেশের নারীদের সর্ববৃহৎ সংগঠন উইমেন অ্যান্ড ই-কমার্স ট্রাস্টের (উই ট্রাস্ট) সভাপতি। ১৪ লাখ উই সদস্যের কাছে ‘উই জননী’ খ্যাত তিনি। এবার ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনে শমী কায়সার-তমাল পরিষদের ‘অগ্রগামী’ প্যানেলের প্রার্থী হয়েছেন।  সম্প্রতি ইত্তেফাক অনলাইনের মুখোমুখি হয়েছেন তিনি।
 
ইত্তেফাক অনলাইন: ই-কমার্সে বর্তমানে নারীদের অংশগ্রহণ কেমন?

নাসিমা আক্তার নিশা: আমার মনে হয় ই-কমার্সে উদ্যোক্তা হওয়ার জন্যে নারীদের আগ্রহ বেশি। সাধারণত ই-কমার্স থেকে এফ-কমার্সকে তারা বেশি প্রাধান্য দেয়। কারণ ফেসবুকের মাধ্যমে তারা তাদের কার্যক্রম আরও সহজে পরিচালনা করতে পারে। সচরাচর একটা ফেসবুক পেজ খুলে প্রোডাক্ট আপলোড করে দিলেই প্রমোশন স্টার্ট হয়ে যায়। তাই মেয়েদের এফ-কমার্সেই বেশি আগ্রহ। আর ই-কমার্স যেহেতু ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সবকিছু পরিচালনা করতে হয়,তাই সেসব কিছু তারা শিখতে চায়। তাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিলে আমি মনে করি, এখানে নারী উদ্যোক্তা বাড়বে। এরইমধ্যে অনেকে আমাদের কাছে রিয়েল ই-কমার্স উদ্যোক্তা হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আমি এই জায়গাতেই কাজ করার চেষ্টা করছি।

ইত্তেফাক অনলাইন: ই-কমার্সে যারা নতুন যুক্ত হচ্ছেন, তাদের মূল চ্যালেঞ্জগুলো কী কী?

নাসিমা আক্তার নিশা: যারা নতুন যুক্ত হচ্ছেন তাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে তাদের নির্দিষ্ট কোনো বিজনেস প্ল্যান নেই। এমনকি ফিন্যান্সিয়াল প্ল্যান সম্পর্কেও তাদের তেমন জ্ঞান নেই। এক্ষেত্রে স্কিল ডেভেলপম্যান্টটাই সবচেয়ে ইম্পরট্যান্ট।

দ্বিতীয় সমস্যা হলো তাদের ফান্ডিং-এর সংকট থাকে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হলে অবশ্য খুব বেশি ফান্ডের প্রয়োজন নেই। কিন্তু যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকুও তাদের কাছে থাকে না। যেমন একটা মোবাইল দরকার বিজনেস অপারেট করার জন্যে, ল্যাপটপ তো অবশ্যই লাগবে। তবে ল্যাপটপ ছাড়া মোবাইল দিয়েও কাজ চলে। অথচ মোবাইলটা কেনার মতোও পর্যাপ্ত টাকা তাদের কাছে থাকে না। এ ধরনের কাজ পরিচালনায় একটা ভালো মানের মোবাইল লাগে। আর ভালো মানের মোবাইল কিনতে গেলে তার একটু বেশি খরচ পড়ে।

এই যেমন তার প্রোডাক্টের ছবি তুলতে হয়, এই মোবাইল দিয়ে বিজনেস পরিচালনা করে আবার অধিকাংশ সময় নিজের মোবাইল দিয়েই নিজের ট্রেনিংটা সে করে। আবার মেটিরিয়ালগুলো যে বিক্রি করবে, তার জন্যেও ফান্ডিং প্রয়োজন হয়। এই ফান্ডিংটাই মূলত আমাদের উদ্যোক্তাদের জন্যে প্রধান চ্যালেঞ্জ।
 
ইত্তেফাক অনলাইন: এখাতে পণ্যের অর্ডার ও ডেলিভারির বিষয় নিয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে অভিযোগ আসে। বিষয়টিকে কিভাবে হ্যান্ডল করা যায়?

নাসিমা আক্তার নিশা: এ ব্যাপারে আমার মনে হয়, আমরা যেহেতু নারী উদ্যোক্তাদের নিয়েই কাজ করছি, সেহেতু তাদের নিয়েই কিছু বলি। নরমালি ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের কমপ্লেইন কিন্তু আমাদের কাছে কম আসে। এখন আমের সিজন যখন শুরু হয়েছে এক্ষেত্রে আমাদের একটা চ্যালেঞ্জ নিতে হবে। এই যেমন আম ও লিচু পচে যাওয়ার কমপ্লেইন আসে।  আসলে কখন অর্ডারটা নেবো আর কতদিনে আমার অর্ডারটা পৌঁছাবে এবং পৌঁছানোর পর আম কিংবা লিচু কতটা ঠিক থাকবে।    

এখানে আন্ডারস্ট্যান্ডিং-এর একটা গ্যাপ থাকে। এই গ্যাপটা যতদিন না ফিলআপ হচ্ছে, ততদিন আমার মনে হয় সমস্যা থেকে যাবে। আমার মনে হয় উদ্যোক্তাদের আগে এই জায়গাগুলো ভালোভাবে শিখতে হবে, জানতে হবে, বুঝতে হবে। আসলে আমি কোন অর্ডারটা কতদিন আগে নিতে পারবো, অথবা আমার কী অর্ডারটা নেওয়া উচিত হবে, কিংবা আমি  অর্ডারটা কমপ্লিট করতে পারবো কি না, এসব সমস্যার সমাধান আগে করতে হবে। বুঝে না বুঝে অর্ডারটা আমি নিয়ে নিলাম এবং সময়মতো অর্ডারটা ডেলিভারি করতে পারলাম না; তাহলে সমস্যা দিনে দিনে বাড়তে থাকে।  তখন মার্কেটটা আনস্টেবল হয়ে যাবে। 

মাঝেমাঝে প্রোডাক্ট নিয়ে ঠকে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে নারী উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে তুলনামূলকভাবে একটু কম অভিযোগ আসে। তাদের এই সমস্যা থেকে বের করে আনার মূল সমাধান হচ্ছে ট্রেনিং। যত বেশি তাদের ট্রেনিং দেওয়া যাবে এবং যত বেশি তাদের স্কিল ডেভেলপমেন্ট করা যাবে,  ততই এই ধরনের চ্যালেঞ্জ থেকে বের হয়ে আসা যাবে।

ইত্তেফাক অনলাইন: ফ্রিল্যান্সিং ও ই-কমার্সকে অনেকেই গুলিয়ে ফেলছেন। এই সমস্যার সমাধান কিভাবে করা যেতে পারে?

নাসিমা আক্তার নিশা: ই-কমার্স টোটালি ই-কমার্স। এর মানে ইলেকট্রনিক ট্রানজেকশন। আমাদের দেশে ই-কমার্সে যেটা হয়, যে আমরা লোকালি কাজ করি। আমাদের ক্রেতাও লোকাল, আর উদ্যোগও লোকাল। আমরা লোকাল বায়ার সেলারের সংমিশ্রণে কাজ করি।  পরবর্তী সময়ে বায়ার দেশের বাইরে থেকেও আমার সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারেন।

অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সার কিন্তু আউটবাউন্ড কাজ করে। মানে দেশের বাইরে কাজ করে। অর্ডারটা এনে সেটা কমপ্লিট করে তাকে ডলারে কনভার্ট করে পেমেন্ট নেয়া। সেক্ষেত্রে দেখা যায় দুটো সম্পূর্ণ দুই ধরনের। একটা সম্পূর্ণ আইটি সেক্টরে ও ই-কমার্স স্বতন্ত্র।

একে গুলিয়ে ফেলার কোনো কারণ নেই। দুটোই উদ্যোক্তাদের জন্যে ভালো। দুটোকেই সরকারি ও বেসরকারিভাবে আমরা প্রোমোট করার চেষ্টা করছি। তবে ফ্রিল্যান্সিংয়ে যেহেতু আমাদের দেশের সুনাম জড়িয়ে থাকে, সেহেতু এমন ব্যক্তিদের এখানে আসা উচিত না, এই বিষয়ে যাদের কোনো জ্ঞান নেই।    

ইত্তেফাক অনলাইন: ই-ক্যাব নির্বাচনে জয়ীদের একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে আগ্রহ আছে। সেক্ষেত্রে একজন নারী প্রার্থী হিসেবে আপনার লক্ষ্য কী যদিও নারী বা পুরুষ এখানে আলাদা করার কিছু নেই, তবু ক্ষেত্রে নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নারী উদ্যোক্তাদের কাজ সহজ করে তুলবে না?

নাসিমা আক্তার নিশা: আমার কাছে মনে হয় উদ্যোক্তা উদ্যোক্তাই। এখানে নারী পুরুষ ভেদাভেদ করার কিছু নেই। তারপরও আমরা যেহেতু নারী,আর এবারের প্যানেলটা আমরা সাজিয়েছি, যেন থার্টি থ্রি পার্সেন্ট নারী সদস্য থাকে। আমরা তিন জন নারী এখানে প্রার্থী হিসেবে আছি। আমাদের প্যানেল থেকে আমি, শমী কায়সার ও ফুডপান্ডার আমরিন।  

আমার মনে হয় আমি দীর্ঘদিন নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে কাজ করে আসছি ও লোকাল প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করে আসছি, আমার বর্তমান লক্ষ্য হচ্ছে নারী পুরুষ যেই হোক, উদ্যোক্তাদের আরও স্কিলড করা। আমাদের লোকাল পণ্যগুলোকে রপ্তানি করা। আমি রপ্তানির বাজারে বাংলাদেশের নাম আরো উজ্জ্বল করতে চাই।

এছাড়াও রপ্তানি বাজারে আমাদের আগামী দুই বছরে একটা লক্ষ্য আছে আর সেটা হলো পাঁচ বিলিয়নের একটা মার্কেট তৈরি করা। আমার মনে হয় সেই টার্গেটে এই লোকাল প্রোডাক্টগুলো একটা ভালো রোল প্লে করবে।

ইত্তেফাক অনলাইন: ই-ক্যাব নির্বাচনকে ঘিরে বর্তমানে আপনাদের প্রাণচাঞ্চল্য কেমন? সবসময়ই নির্বাচনের মতো সুষ্ঠু প্রক্রিয়াগুলো যেকোনো ক্ষেত্রকে চাঙা করতে পারে। বর্তমানে এই নির্বাচনকে ঘিরে বা নির্বাচনের পরিবেশকে কেমন মনে হচ্ছে?

নাসিমা আক্তার নিশা: পরিবেশটা খুবই উৎসবমুখর পরিবেশ। আল্লাহর রহমতে এবার ৩১ জন প্রার্থী এসেছেন। আগেরবারেও এতজন আসেনি। কখনোই আসেনি। আমরা প্রতিবারই নির্বাচন দেওয়ার চেষ্টা করেছি। কিন্তু কখনই কোনো প্রার্থী নমিনেশন নিতেন না। ২০২০ সালে নমিনেশন ছাড়ার পরে দুইজন মাত্র - মানে আমরা নয় জন বাদে দুইজন এক্সট্রা প্রার্থী এসেছিলেন।

তবে দুই জন একই কোম্পানির হওয়ায় একজন প্রার্থী উইথড্র করেছেন। দুই জনের একজন চালডাল থেকে জিয়া আশরাফ আমাদের প্যানেলে যুক্ত হয়েছিলেন।

তো এইবার এতগুলো মানুষ আসছে তার একটা মূল কারণ হচ্ছে, কোভিড টাইমে আমরা যে কাজগুলো করেছি, আমাদের মানবসেবা দিয়ে, আমাদের উদ্যোক্তাদের টিকা প্রোভাইড করে, যেন টাইম টু টাইম তারা উদ্যোগগুলোকে চালিয়ে রাখতে পারে। ডেলিভারি ম্যানদের টিকেটগুলো দিয়েছি। বাংলাদেশ যখন থমকে ছিল, কেউ কোথাও বের হতে পারছিলেন না, ডেলিভারিম্যানরা কিন্তু তখন যোদ্ধাদের মতো বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছিল। এই ধরনের বেশকিছু সার্ভিস আমরা দেওয়ার পর সবার ই-কমার্স এবং ই-ক্যাবের ওপর আস্থা এসেছে।

একারণে অনেক মানুষ আসছে ই-ক্যাবে নির্বাচন করার জন্যে। কিন্তু আমি বলি এটা কিন্তু মাত্র দুই বছরের এচিভমেন্ট না। এই এচিভমেন্টটা গত সাত বছরের। আমরা যখন থেকে ই-ক্যাবটাকে শুরু করেছি, তখন থেকে আস্তে আস্তে কাজ করতে করতে আমরা আজকের এই পর্যায়ে আসছি। ব্যাপারটা এমন না যে আমরা দুই বছরে অনেক কাজ করে ফেলেছি।

দুই বছরে আমরা ভালো কাজ দেখিয়ে থাকলেও তার রেজাল্ট এসেছে গত পাঁচ বছরের পরিশ্রমের জন্যেই। আমাদের এই পরিশ্রমের জন্যেই এতজন মানুষ ই-ক্যাব নির্বাচনের জন্যে আসছেন। খুবই উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হচ্ছে। আমি আশা করছি যোগ্য ব্যক্তিরাই আবার নির্বাচিত হয়ে আসবেন।  

ইত্তেফাক অনলাইন: প্রাক-নির্বাচনি সময়ে প্রচারণা সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ। যদিও ই-ক্যাব নির্বাচন ইকমার্স উদ্যোক্তাদের ঘিরে তবুও সারাদেশেই আপনাদের কিছু বলার সুযোগ আছে। সেই বৃহৎ পরিসর নিয়ে ভাবনা কি?

নাসিমা আক্তার নিশা: বৃহৎ পরিসরে আমি আসলে চিন্তা করছি আগামী দুই বছর খুবই কঠিন একটা সময়। এই সময়টায় আমাদের অনেক কাজ করতে হবে। ক্রস বর্ডারের পলিসিটা আমাদের প্রণয়ন করতে হবে। আমরা রপ্তানি মার্কেটের স্বপ্ন দেখছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর ভিশন হচ্ছে টুয়েন্টি টুয়েন্টি ফাইভ নাগাদ ফাইভ বিলিয়নের একটা এক্সপোর্ট মার্কেট রেডি করা।

আমাদের ইচ্ছা হলো আমরা যে এই মার্কেট তৈরি করবো তারজন্যে পর্যাপ্ত ক্রস বর্ডার পলিসি নাই। আমাদের ইচ্ছে আছে এইবার সেই ক্রস বর্ডার পলিসিটা কমপ্লিট করব।

আপনারা জানেন গত টার্মে আমরা ডিজিটাল কমার্স পলিসিটা রেডি করে দিয়েছি। আল্লাহর রহমতে সেই পলিসি অনুযায়ী কাজ চলছে। আমরা এসওপি রেডি করে দিয়েছি। আর এবার আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ক্রস বর্ডার পলিসিটা রেডি করে দেওয়া। এইটা কমপ্লিট হয়ে গেলে  অনেকদূর স্প্রেড করবে। এতে বিশ্বের অনেক দেশ আমাদের রোল মডেল হিসেবে সামনে নিয়ে আসবে।  

ইত্তেফাক অনলাইন: বর্তমানে যদিও ইকমার্স একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রে কিন্তু তবু কিছু অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েই গেছে। সেগুলো কী এবং সেগুলো নিয়ে আপনার ভাবনা কী? যদি সুযোগ হয় তাহলে বিষয়গুলো নিয়ে কতটা কাজ করতে পারবেন বলে মনে হয়?

নাসিমা আক্তার নিশা: যেমন আমাদের এই ক্রস বর্ডারের কথা বললাম। এই যেমন একজন উদ্যোক্তা কোনো প্রডাক্ট ক্রস-বর্ডারে পাঠাতে চাইলে একটা প্রোডাক্ট পাঠাতে যে পরিমাণ পেপার্স লাগে দশটা পাঠাতেও একই পরিমাণ পেপার্স লাগে। মানে তার ট্রেড লাইসেন্স থেকে শুরু করে প্রায় পনেরোটার মতো লাইসেন্স এবং অনুমতি লাগে। এটা এক্সপোর্ট করার ক্ষেত্রে।

আর আপনারা কিন্তু জানেন আমাদের সরকার এক্সপোর্টের ক্ষেত্রে বিশেষ ইনসেন্টিভের ঘোষণা করেছেন। মানে এক্সপোর্ট করলে সে কিন্তু বিভিন্ন ধরনের ইনসেন্টিভ পাবে, যেমন ক্যাশব্যাক পাবে। কিন্তু সেটার জন্যে প্রায় পঁচিশটার মতো লাইসেন্স ও অনুমতি জমা দিতে হয়।

সেটা আমাদের উদ্যোক্তাদের পক্ষে জমা দেওয়া সম্ভব হয় না। তারজন্যে আমরা উদ্যোক্তাদের জন্যে এই পলিসিগুলো রেডি করার চেষ্টা করছি। কি ওয়েতে তারা এক্সপোর্ট করবেন ও প্রপার চ্যানেলে পেমেন্টগুলো পাবেন, ইনসেন্টিভগুলো পাবেন। কি ওয়েতে ওয়ান স্টপ সার্ভিসের মতো তাদের যেন দুয়ারে দুয়ারে ঘুরতে না হয়। একটা জুটের জন্যে দুটো অ্যাসোসিয়েশন থেকে লাইসেন্স নিতে হয়। আবার লেদারের ক্ষেত্রে আরেকটা অ্যাসোসিয়েশন থেকে লাইসেন্স নিতে হয়। এরকম না করে একজন উদ্যোক্তা তিনটি প্রোডাক্ট নিয়েই কাজ করতে পারেন।  

ইত্তেফাক/এআই

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

আরেক দফা বাড়লো সোনার দাম 

শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগের হিসাব ক্রয়মূল্যে নির্ধারিত হবে

স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানকে পুঁজিবাজারে আসতে হলে ১০ শতাংশ শেয়ার ছাড়তে হবে

কয়লা দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর দেওয়ার দাবি ব্যবসায়ীদের

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

৩ কোটি ৩০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে সরকার

দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলো সিটি ব্যাংক 

নাভানা গ্রুপ পেলো ‘টয়োটা মার্কেটিং এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২১’

উত্তাল সাগর পার করে নগদ-এর ভাতা বিতরণ লড়াই